
পাবলিক নিউজঃ আসানসোল:
আসানসোলের সমাজসেবী ও বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ আজ আসানসোলের কল্লা এলাকায় নিজের বাসভবনের সংলগ্ন মাঠে আসানসোল পুরনিগমের সাফাইকর্মী ও আশা কর্মীদের মধ্যে চাল বিতরণ করেন। এদিন সাফাইকর্মী ও আশা কর্মী মিলিয়ে প্রায় ১৫০০ জনকে এক-এক বস্তা করে চাল দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আশা কর্মীরা গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে নিজেদের বিভিন্ন দাবির সমর্থনে ধর্মঘটে রয়েছেন। অন্যদিকে, আসানসোল পুরনিগমের সাফাইকর্মীরা গত চার দিন ধরে লাগাতার ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন। ধর্মঘটের জেরে কর্মীদের পরিবার চালাতে আর্থিক সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
এই উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষ্ণা প্রসাদ বলেন, আশা কর্মী হোক বা সাফাইকর্মী—তাঁরা সকলেই সমাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যে সামান্য বেতন তাঁরা পান, তাতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতেই তাঁরা আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
তবে তিনি সাফাইকর্মী ও আশা কর্মীদের কাছে আবেদন জানান, ধর্মঘট কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। একইসঙ্গে তিনি তাঁদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেন, কর্মীদের দাবিগুলির বিষয়ে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ধর্মঘট প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা হোক। কারণ এই ধর্মঘটের ফলে আসানসোলের সাধারণ মানুষকেও বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এদিকে, পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বড় ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর অভিযানের প্রসঙ্গে কৃষ্ণা প্রসাদ বলেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছে। নিশ্চয়ই তাদের কাছে এমন কোনও তথ্য রয়েছে, যার ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই অঞ্চলে বহু মানুষ রয়েছেন যাঁদের বিরুদ্ধে অনেক আগেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। কৃষ্ণা প্রসাদের দাবি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বড় নেতা ও মন্ত্রীরাও এই ঘটনায় জড়িত। তাঁর মতে, ব্যবসায়ীদের সঠিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বহু প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীর নাম সামনে আসবে এবং তাতেই প্রকৃত অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
































