আবারও টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা, রেল ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে আসানসোলে ব্রিজ পরিদর্শনে মেয়র

আসানসোল : আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায় শুক্রবার আসানসোল জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড থেকে ১৯ নং জাতীয় সড়কের  জুবিলি মোড় সংযোগকারী সেনরেল রোড বা বিবেকানন্দ সরণীর রেল সেতু পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের রেল ইঞ্জিনিয়াররা। এছাড়াও ছিলেন ডেপুটি মেয়র ওয়াসিমুল হক, কাউন্সিলর তরুণ চক্রবর্তী ও পুরনিগমের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা।
এই প্রসঙ্গে, মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, আমি ফোনে এদিন আসানসোল ডিভিশনের ডিআরএমকে সেনরেল রোডের রেল ব্রিজের নীচে জল জমার কথা বলেছিলাম। ডিআরএম রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকদের পাঠিয়েছেন। তাদেরকে সাথে নিয়ে এই রেল ব্রিজ পরিদর্শন করলাম। এদিন বৃষ্টি হওয়ায় পরিদর্শন করতে একটু অসুবিধা হলেও, বিষয়টি দেখা হয়েছে। রেল ও আসানসোল পুরনিগম খতিয়ে দেখছে কিভাবে এই ব্রিজের নিচে জল জমার সমস্যা সমাধান করা যায়।

এই ব্রিজের নিচে বিদ্যুতের তারও গেছে। শনিবার আবার পরিদর্শন করা হবে। বিদ্যুৎ বন্টন নিগমের আধিকারিকদের ডাকা হবে। মেয়র আরো বলেন, সামান্য বৃষ্টির পরও এই ব্রিজের নিচে জল জমে যায়। যে কারণে আসানসোলের জিটি রোড থেকে জাতীয় সড়কের দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িগুলিকে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক বড় বড় হাসপাতাল এই রাস্তায় আছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসকের কার্যালয়ও এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। তাই এই ব্রিজের নিচে জল জমে যাওয়ার সমস্যার সমাধানের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে আসানসোল শহর তথা শিল্পাঞ্চল জুড়ে টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালেও বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে আবারও বৃষ্টি হয়। যা দুপুর পর্যন্ত চলে। এই বৃষ্টিতে আসানসোল স্টেশন রোডের ১৩ নং মোড়, হটন রোডের আর্য সরণী মোড়, দিলদার নগর, চেলিডাঙ্গা, রেলপার সহ নিচু এলাকা ও কালভার্ট জলের তলায় চলে যায়। বেশ কিছু বাড়িতেও জল ঢোকে।
এদিকে, নর্দমা পরিষ্কার না হওয়ায় বাড়িতে ঢুকে যাচ্ছে বৃষ্টির জল। এমনটাই অভিযোগ আসানসোলের ইসমাইল গুরু নানক পল্লীর বাসিন্দাদের। আসানসোল পুরনিগমের ৮৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার এদিনের ঘটনার কথা জানতে পেরে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক নেই। নর্দমা নিয়মিত ভাবে পরিষ্কার হয় না এইসব এলাকায়। যার ফলে অল্প বৃষ্টিতেই নালির জল ঘরে ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। শুধু ৮৪ নং ওয়ার্ড নয়, আসানসোল পুরনিগমের একাধিক ওয়ার্ডেই এই ছবি দেখতে পাওয়া গেলো।


বৃহস্পতিবার রাতের পরে শুক্রবার সকাল থেকে দফায় দফায় হচ্ছে বৃষ্টি। এর ফলে নর্দমার জল উপচে চলে এসেছে রাস্তায় ও বাড়িতে। বহুবার কাউন্সিলর ও আসানসোল পুরনিগমকে বলেও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এইভাবে সারাদিন যদি বৃষ্টি হতে থাকে তাহলে বাড়িঘরে এক হাঁটুর উপর জল জমে যাবে। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা যাবে না বলেও তাদের অভিযোগ। 
অন্যদিকে, আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার ও রবিবার এই বৃষ্টি চলবে।

চিকিৎসার অভাবে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, বিক্ষোভ,  উত্তেজনা মানকর গ্রামীন হাসপাতালে

বুদবুদ : এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালো পশ্চিম বর্ধমানে বুদবুদের মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে। শুক্রবার সকালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম মাধাই বাদ্যকর (৫৬)। তার বাড়ি বুদবুদের কোটা গ্রামে।


জানা গেছে, শুক্রবার সকালে মাধাই বাদ্যকরের বুকে ব্যথা হয়। বাড়ির লোকেরা তাকে তড়িঘড়ি মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরিবারের অভিযোগ, তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সেই সময় হাসপাতালে কোন ডাক্তার এমার্জেন্সিতে উপস্থিত ছিলেন না। ডাক্তার না থাকার কারণে তার ন্যুনতম চিকিৎসা করা হয়নি। ফলে বিনা চিকিৎসায় ঐ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে পরিবারের লোকজনেরা । পরে হাসপাতলে চিকিৎসক না থাকায় সেখানকার কর্তব্যরত নার্সকে বলা হয়। তখন সেই নার্স মাধাই বাদ্যকরকে একটি ইনজেকশন দেন। পরিবারের অভিযোগ ইনজেকশন দেওয়ার পরেই তার মৃত্যু হয়।

এরপর চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। বুদবুদ থানার পুলিশের সাথে বেশ কিছুক্ষণ ধরে মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনদের বচসাও চলে। যদিও হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসা নিয়ে ঐ রোগীর পরিবারের একটা অভিযোগ ছিলো। সবার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছে।

জামুড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মৃত্যু যুবকের

File photo

জামুড়িয়া ও আসানসোল, ২৩ আগষ্টঃ পুকুরে স্নান করতে নেমে জলে ডুবে মৃত্যু হলো এক যুবকের। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের জামুড়িয়া থানার বোগড়া এলাকায়। বোগড়া নিচুপাড়ার বাসিন্দা মৃত যুবকের নাম কুন্দন বাউরি (৩৫)। শুক্রবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে যুবকের মৃতদেহর ময়নাতদন্ত হয়।
জানা গেছে, জামুড়িয়া থানার বোগড়া নিচুপাড়ার বাসিন্দা কুন্দন বাউরি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির অদূরে তালপুকুরে স্নান করতে যায়। পুকুরে নেমে সে জলে ডুবে যায়। পরে বাড়ির লোকেরা তাকে পুকুরের জলে ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে জামুড়িয়া থানার পুলিশ এলাকায় আসে।
প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, ঐ যুবক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুকুরের জলে স্নান করতে নেমেছিলো। যে কারণে সে বেসামাল হয়ে পুকুরের জলে ডুবে যায় ও তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

শচীন রায়ের জন্মদিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন

আসানসোল : আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুল এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শচীন রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে। এই উপলক্ষে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী সোমাত্মানন্দ জি মহারাজ স্কুলের রজত জয়ন্তী গেট উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ভূমিপূজো করে স্কুলের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এছাড়া এক রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। এই রক্তদান শিবির আয়োজনে সহযোগিতা করেন প্রবীর ধর। এর পাশাপাশি এদিন চক্ষু ও দাঁতের পরীক্ষার একটি ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এছাড়াও বৃক্ষরোপনের একটি কর্মসূচি ছিলো।

এই প্রসঙ্গে শচীন রায় বলেন, আমি সর্বদা সামাজিক কাজ করতে চাই। তাই জন্মদিনে একটি বৃক্ষরোপণ সহ একাধিক সমাজের উপকার হয়, এমন কিছুর আয়োজন করা হয়েছিলো। শচীন রায় আরো বলেন, শুধু আমার জন্মদিনই নয়, সবসময় ঈশ্বরের কৃপায় মানুষের সেবা চালিয়ে যেতে চাই। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের স্বামী সৌমাত্মানন্দ জি মহারাজকে ধন্যবাদ জানান এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য। এদিন অনুষ্ঠানে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের উন্নয়ন তহবিলে ১ লক্ষ টাকার চেক এবং পাশাপাশি সামাজিক সংস্থা আসানসোল “প্রগতি”কে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শচীন রায়ের স্ত্রী স্কুলের ডিরেক্টর মিতা রায়, পুত্র স্কুলের ডিরেক্টর গৌরব রায়, আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলের অধ্যক্ষ রাজীব শা এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া, শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মচারীরা।

রানীগঞ্জ এর সাহেবগঞ্জে ডাস্টবিনে মিলল বহু ভোটার আইডি কার্ড, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন


পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী রানীগঞ্জের সাহেবগঞ্জ, পশ্চিম বর্ধমান:
রানিগঞ্জের সাহেবগঞ্জ এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। সাহেবগঞ্জ এলাকার ক্রিস্টি কলোন ভবন (ম্যারেজ হল)-এর সামনে একটি ডাস্টবিনে বিপুল সংখ্যক ভোটার আইডি কার্ড পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধার হওয়া কার্ডগুলির মধ্যে কিছু পুরনো সাদা-কালো এবং কিছু একেবারে নতুন রঙিন কার্ডও রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একদিকে যখন ভোটার তালিকা সংশোধন ও নিবন্ধনের (SIA/Voter Registration) কাজ চলছে, তখন অন্যদিকে এইভাবে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি ডাস্টবিনে পড়ে থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি প্রশাসনের গাফিলতির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও মত তাঁদের।
ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে প্রায় ২৩-২৪টি ভোটার কার্ড উদ্ধার করে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, ডাস্টবিনটি ভালোভাবে পরিষ্কার করা হলে আরও কার্ড পাওয়া যেতে পারে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “যদি কেউ নতুন কার্ড পাওয়ার পর পুরনো কার্ড জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে সেটি নষ্ট করার একটি নির্দিষ্ট সরকারি প্রক্রিয়া থাকা উচিত। বিডিও অফিস বা অন্য কোনও সুরক্ষিত সরকারি জায়গায় তা করা উচিত, ডাস্টবিনে ফেলে নয়। কোনও নাগরিকের আসল পরিচয়পত্র এভাবে প্রকাশ্যে ফেলে রাখা যায় না।”
তারাবিহর নামাজ শেষে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বলে জানা গেছে। অভিযোগ, চুড়িপট্টি, সাহেবগঞ্জ ও নবীন নগর এলাকার বাসিন্দাদের কার্ডও সেখানে পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মীরা এসে কার্ডগুলি সংগ্রহ করে নিয়ে যান।
মূল দাবি:
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথির নিরাপত্তায় এমন গাফিলতির পূর্ণাঙ্গ ও উচ্চস্তরের তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।

रानीगंज के साहेबगंज में डस्टबिन से मिले कई वोटर आईडी कार्ड, प्रशासन की भूमिका पर उठे सवाल

पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव रानीगंज के साहेबगंज, पश्चिम बंगाल:
रानीगंज के साहेबगंज इलाके में एक चौंकाने वाली घटना सामने आई है। क्रिस्टी कोलोन भवन (मैरिज हॉल) के सामने स्थित एक डस्टबिन से बड़ी संख्या में वोटर आईडी कार्ड बरामद किए गए हैं। इन कार्डों में कुछ पुराने ब्लैक एंड व्हाइट तथा कुछ बिल्कुल नए रंगीन कार्ड भी शामिल हैं।
स्थानीय लोगों का कहना है कि एक ओर जहां वोटर सूची संशोधन और पंजीकरण (SIA/Voter Registration) का कार्य चल रहा है, वहीं दूसरी ओर इस प्रकार डस्टबिन में सरकारी महत्वपूर्ण दस्तावेजों का मिलना बेहद गंभीर और चिंताजनक है। इसे प्रशासनिक लापरवाही का मामला बताया जा रहा है।
सूचना मिलने पर पुलिस मौके पर पहुंची और लगभग 23–24 वोटर कार्ड अपने कब्जे में लेकर चली गई। स्थानीय लोगों का दावा है कि यदि डस्टबिन की अच्छी तरह से सफाई की जाए, तो और भी कार्ड बरामद हो सकते हैं।
एक स्थानीय निवासी ने कहा, “यदि किसी व्यक्ति ने नया कार्ड मिलने के बाद पुराना कार्ड जमा किया है, तो उसे नष्ट करने की एक निर्धारित सरकारी प्रक्रिया होनी चाहिए। इसके लिए बीडीओ कार्यालय या किसी सुरक्षित सरकारी स्थान का उपयोग होना चाहिए, न कि डस्टबिन का। किसी नागरिक की असली पहचान पत्र को इस तरह सार्वजनिक स्थान पर फेंकना बिल्कुल गलत है।”
बताया जा रहा है कि तरावीह की नमाज के बाद इस मामले की जानकारी सामने आई। आरोप है कि चूड़ी पट्टी, साहेबगंज और नवीन नगर क्षेत्र के निवासियों के भी कार्ड वहां मिले हैं। सूचना मिलने पर संबंधित विभाग के अधिकारी मौके पर पहुंचे और कार्ड अपने साथ ले गए।
मुख्य मांग:
सरकारी दस्तावेजों की सुरक्षा में हुई इस कथित लापरवाही की उच्च स्तरीय जांच कर दोषियों के खिलाफ सख्त कार्रवाई की जाए।

आसनसोल कोर्ट को बम से उड़ाने की धमकी वाले ईमेल मामले में जांच की मांग, पुलिस की तत्परता की सराहना

पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव आसनसोल:
25 फरवरी को सुबह लगभग 11:30 बजे आसनसोल जिला न्यायालय के जिला जज को एक ईमेल प्राप्त हुआ, जिसमें कोर्ट परिसर को बम से उड़ाने की धमकी दी गई थी। ईमेल मिलते ही जिला न्यायाधीश, कोर्ट प्रशासन और आसनसोल-दुर्गापुर पुलिस आयुक्तालय के अधिकारियों ने तुरंत अलर्ट जारी कर मामले को गंभीरता से लिया और आवश्यक सुरक्षा कदम उठाए।
अंतरराष्ट्रीय समाजसेवी एवं इंडिया अवेक के चेयरमैन फिरोज खान एफके ने इस घटना को अत्यंत गंभीर और चिंताजनक बताया। उन्होंने कहा कि धमकी मिलते ही सुरक्षा के मद्देनज़र कोर्ट परिसर को तत्काल खाली कराया गया। पुलिस प्रशासन और कोर्ट प्रबंधन ने त्वरित कार्रवाई कर संभावित किसी भी अप्रिय घटना को टाल दिया।
पूरे मामले को देखते हुए फिरोज खान एफके ने सुनील कुमार चौधरी, आईपीएस, पुलिस आयुक्त, आसनसोल-दुर्गापुर को पत्र लिखकर पुलिस विभाग की सराहना की। उन्होंने कहा कि पुलिस हर संवेदनशील मामले में तत्परता से कार्रवाई करती है और इस मामले में भी पुलिस एवं कोर्ट प्रशासन ने सक्रिय भूमिका निभाते हुए सुरक्षा के सभी आवश्यक कदम उठाए।
इंडिया अवेक ने इस घटना को न्याय व्यवस्था और सार्वजनिक सुरक्षा पर सीधा हमला बताया है। संगठन ने कहा कि पुलिस आयुक्त के नेतृत्व और प्रभावी प्रशासन के कारण आसनसोल-दुर्गापुर क्षेत्र में कानून-व्यवस्था की स्थिति मजबूत बनी हुई है तथा अपराध नियंत्रण और त्वरित कार्रवाई से आम जनता का विश्वास बढ़ा है।
साथ ही फिरोज खान एफके ने निम्नलिखित मांगें रखीं—
मामले की गहन और निष्पक्ष जांच की जाए।
ईमेल के स्रोत की तकनीकी जांच कर दोषियों की शीघ्र पहचान की जाए।
दोषियों के विरुद्ध कड़ी से कड़ी कानूनी कार्रवाई की जाए।
भविष्य में ऐसी घटनाओं की पुनरावृत्ति रोकने के लिए सुरक्षा व्यवस्था को और सुदृढ़ किया जाए।
इंडिया अवेक ने विश्वास जताया कि पुलिस प्रशासन इस प्रकरण में सख्त और निर्णायक कार्रवाई कर न्याय व्यवस्था और आम जनता की सुरक्षा सुनिश्चित

আসানসোল কোর্ট উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল কাণ্ডে তদন্তের দাবি, পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা ফিরোজ খান এফকের

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী আসানসোল:
২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে আসানসোল জেলা আদালত-এর জেলা বিচারকের কাছে একটি ইমেল আসে, যেখানে আদালত চত্বরকে বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার পরই জেলা বিচারক, কোর্ট কর্তৃপক্ষ এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট-এর আধিকারিকরা দ্রুত সতর্কতা জারি করে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নেন এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
আন্তর্জাতিক সমাজসেবী ও ইন্ডিয়া অ্যাওয়েক-এর চেয়ারম্যান ফিরোজ খান এফকে বলেন, আদালত ও মাননীয় বিচারকদের উদ্দেশে ইমেলের মাধ্যমে বোমা হামলার হুমকি অত্যন্ত গুরুতর ও উদ্বেগজনক ঘটনা। হুমকি পাওয়ার পর নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে আদালত চত্বর খালি করে দেওয়া হয়। পুলিশ প্রশাসন ও আদালত কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় সম্ভাব্য কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
পুরো বিষয়টি বিবেচনা করে ফিরোজ খান এফকে সুনীল কুমার চৌধুরী, পুলিশ কমিশনার, আসানসোল-দুর্গাপুরের উদ্দেশে চিঠি লিখে পুলিশ বিভাগের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, পুলিশ প্রতিটি সংবেদনশীল বিষয়ে দ্রুত সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং এই ঘটনাতেও পুলিশ ও আদালত কর্তৃপক্ষ তৎপরতার সঙ্গে আদালত খালি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
ইন্ডিয়া অ্যাওয়েক এই ঘটনাকে বিচারব্যবস্থা ও জননিরাপত্তার উপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্ব ও কার্যকর প্রশাসনিক ভূমিকার ফলে আসানসোল-দুর্গাপুর অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মজবুত রয়েছে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সমস্যা সমাধান ও কার্যকর নজরদারির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
একই সঙ্গে ফিরোজ খান এফকে নিম্নলিখিত দাবিগুলি উত্থাপন করেন—
১. ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
২. ইমেলের উৎস প্রযুক্তিগতভাবে অনুসন্ধান করে দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে।
৩. দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রুখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।
ইন্ডিয়া অ্যাওয়েকের বিশ্বাস, পুলিশ প্রশাসন তাদের দক্ষ নেতৃত্বে এই ঘটনার কঠোর ও নির্ণায়ক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং বিচারব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

सीएमपीएफ फ्रेंडली क्रिकेट प्रतियोगिता का आयोजन, धनबाद की स्काइकिंग टीम बनी विजेता

पब्लिक न्यूज डेस्क आसनसोल:
सीएमपीएफ (कोल माइंस प्रोविडेंट फंड) की ओर से आपसी सौहार्द और एकजुटता को बढ़ावा देने के उद्देश्य से एक फ्रेंडली क्रिकेट प्रतियोगिता का आयोजन किया गया। इस प्रतियोगिता में आसनसोल और धनबाद की कुल चार टीमों ने उत्साहपूर्वक हिस्सा लिया। रोमांचक मुकाबलों के बाद धनबाद की स्काइकिंग टीम ने बेहतरीन प्रदर्शन करते हुए खिताब अपने नाम किया।
प्रतियोगिता के दौरान खिलाड़ियों में जबरदस्त उत्साह देखने को मिला। मैच के दौरान खेल भावना, अनुशासन और टीम वर्क की सराहना की गई। आयोजन स्थल पर उपस्थित दर्शकों ने भी खिलाड़ियों का उत्साहवर्धन किया।
इस अवसर पर आसनसोल सी पी ओ अमरेश कुमार क्षेत्रीय आयुक्त कार्यालय के अधिकारी सीएमपीएफ (कोल माइंस प्रोविडेंट फंड) के क्षेत्रीय आयुक्त (रीजनल कमिश्नर–I) अजय सिंह ने बताया कि इस प्रकार की प्रतियोगिता का आयोजन पहली बार किया गया है। उन्होंने कहा कि इसका मुख्य उद्देश्य सीएमपीएफ से जुड़े सभी अधिकारियों एवं कर्मचारियों के बीच आपसी समन्वय, भाईचारा और एकता को मजबूत करना है।
उन्होंने कहा कि खेलकूद और इस तरह की मैत्री प्रतियोगिताएं लोगों को एक-दूसरे के करीब लाने का सबसे प्रभावी माध्यम होती हैं। पहली बार आयोजन होने के बावजूद प्रतिभागियों की सक्रिय भागीदारी और उत्साह अत्यंत सराहनीय रहा। भविष्य में भी इस तरह के कार्यक्रम आयोजित करने की योजना बनाई जाएगी, ताकि संगठन से जुड़े लोगों के बीच बेहतर तालमेल बना रहे।
कार्यक्रम में जयप्रकाश देवराज, अधिकारी अमरेश कुमार, अजय कुमार सिंह सहित अन्य सीएमपीएफ अधिकारी तथा बड़ी संख्या में गणमान्य लोग उपस्थित थे। आयोजन को सफल बनाने में सभी का महत्वपूर्ण योगदान रहा।

जामुड़िया में एनएच-19 के जेके नगर मोड़ पर भीषण सड़क हादसा, सीसीटीवी में कैद हुई घटना


पब्लिक न्यूज भरत पासवान जामुड़िया:
19 नंबर राष्ट्रीय राजमार्ग (एनएच-19) के जामुड़िया थाना अंतर्गत जेके नगर मोड़ के पास एक भीषण सड़क दुर्घटना की घटना सामने आई है। पूरी घटना वहां लगे सीसीटीवी कैमरे में कैद हो गई।
जानकारी के अनुसार, एक तेज रफ्तार चारपहिया वाहन ने सामने से आ रही मोटरसाइकिल को जोरदार टक्कर मार दी। टक्कर इतनी जबरदस्त थी कि मोटरसाइकिल सवार युवक गंभीर रूप से घायल हो गया। हादसे के बाद आरोपी वाहन चालक मौके से फरार हो गया।
दुर्घटना के बाद घायल युवक सड़क पर छिटक कर गिर पड़ा। घटना को देख आसपास के स्थानीय लोग तुरंत मौके पर पहुंचे और उसे উদ্ধার कर इलाज के लिए अस्पताल भेजा।
स्थानीय लोगों का आरोप है कि बोगड़ा से जेके नगर मोड़ तक राष्ट्रीय राजमार्ग के चौड़ीकरण का काम लंबे समय से अधूरा पड़ा है। सड़क संकरी होने और पर्याप्त सुरक्षा व्यवस्था नहीं होने के कारण आए दिन छोटे-बड़े हादसे हो रहे हैं।
लगातार दुर्घटनाओं के बावजूद राष्ट्रीय राजमार्ग प्राधिकरण और प्रशासन की ओर से ठोस पहल नहीं किए जाने पर स्थानीय लोगों में आक्रोश बढ़ता जा रहा है। लोगों की मांग है कि जल्द से जल्द सड़क विस्तार का काम पूरा किया जाए।
घटना की जांच जामुड़िया थाना पुलिस ने शुरू कर दी है। फरार चारपहिया वाहन की तलाश की जा रही है।

দুর্গাপুরের রাঁচি কলোনিতে যুবককে ঘিরে গণপিটুনি, নাবালিকা গর্ভবতী হওয়ার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান:
দুর্গাপুর শহরের রাঁচি কলোনি এলাকায় এক যুবককে ঘিরে গণপিটুনির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। পুলিশের তৎপরতায় বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বসবাসকারী মহিলাদের ও নাবালিকাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠছিল। যদিও অভিযোগগুলির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, অভিযুক্তের আচরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমে ছিল।
সম্প্রতি এলাকার এক নাবালিকা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় জানা যায়, ওই নাবালিকা গর্ভবতী। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নাবালিকার পরিবারের তরফে অভিযোগের আঙুল ওঠে ওই যুবকের দিকেই। যদিও গোটা ঘটনার তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত যুবককে এলাকায় দেখতে পেয়ে উত্তেজিত জনতা তাকে ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাকে মারধর করা হয় বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, কয়েকজন লাঠি নিয়েও চড়াও হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক গুরুতর জখম হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। এলাকায় যাতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, নাবালিকার শারীরিক অবস্থা, অভিযোগের সত্যতা এবং গণপিটুনির ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য স্থানীয়দের কাছে আবেদন জানিয়েছে প্রশাসন।
ঘটনার পর এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ ও প্রশাসন। তদন্তের অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা

পাণ্ডবেশ্বরে ভোটের আগেই ‘মিম ওয়ার’ তীব্র, ডিজিটাল লড়াই এখন চর্চার কেন্দ্রে

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর:পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র এ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের তারিখ ঘোষণা হয়নি, প্রার্থীদের নামও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি। তবুও এলাকায় রাজনৈতিক পরিবেশ ইতিমধ্যেই তপ্ত। এর প্রধান কারণ—সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হওয়া অভিনব ‘মিম ওয়ার’, যা নির্বাচনী লড়াইকে দিয়েছে এক ডিজিটাল রূপ।
পাণ্ডবেশ্বরে প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি এবং বর্তমান বিধায়ক নরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী-র সমর্থকদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র বাকযুদ্ধ দেখা যাচ্ছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামের মতো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দুই পক্ষের সমর্থকেরা একে অপরকে লক্ষ্য করে মিমের মাধ্যমে কটাক্ষ ছুঁড়ছেন।
এই মিমগুলিতে কখনও উন্নয়নের প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, কখনও ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রমণের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিশানা করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই ‘মিম যুদ্ধ’ শুধুমাত্র বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর মাধ্যমে অত্যন্ত কৌশলী উপায়ে রাজনৈতিক বার্তাও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ডিজিটাল লড়াই আসন্ন নির্বাচনের ইঙ্গিতও বহন করতে পারে। যুব সমাজের বাড়তি অংশগ্রহণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তৃত প্রভাব নির্বাচনী প্রচারের ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। এক সময় পোস্টার, ব্যানার ও জনসভা ছিল প্রধান অস্ত্র; এখন মিম ও ভাইরাল পোস্টও সমান কার্যকর হয়ে উঠেছে।
তবে এই ‘মিম ওয়ার’ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করছেন অনেকে। তাঁদের মতে, এটি যদি সীমার মধ্যে থাকে, তবে তা গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশের অংশ। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা ভুয়ো তথ্য ছড়ালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।
সব মিলিয়ে, পাণ্ডবেশ্বরে ভোটের আনুষ্ঠানিক দামামা বাজার আগেই ডিজিটাল রণক্ষেত্র প্রস্তুত। এখন দেখার বিষয়, এই ‘মিম ওয়ার’ বাস্তব নির্বাচনী ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।

आसनसोल के कुल्टी में सनसनीखेज वारदात: बेटे ने माँ की गोली मारकर हत्या की, फिर खुद भी दी ,पारिवारिक विवाद के बीच दिल दहला देने वाली घटना, इलाके में दहशत और मातम

पब्लिक न्यूज प्रकाश दास आसनसोल (पश्चिम बंगाल):
पश्चिम बंगाल के आसनसोल स्थित कुल्टी थाना क्षेत्र में शुक्रवार तड़के एक सनसनीखेज और हृदयविदारक घटना सामने आई। यहां एक बेटे ने अपनी ही मां की गोली मारकर हत्या कर दी और इसके बाद खुद भी आत्महत्या कर ली। इस दर्दनाक वारदात से पूरे इलाके में सनसनी फैल गई है।
मृतकों की पहचान राजा मुखर्जी और उनकी मां संध्या मुखर्जी के रूप में हुई है। परिजनों के अनुसार, पिछले कुछ दिनों से परिवार में किसी बात को लेकर तनाव और विवाद चल रहा था। शुक्रवार सुबह अचानक घर से गोली चलने की आवाज सुनाई दी। जब परिजन और आसपास के लोग मौके पर पहुंचे तो घर के अंदर का दृश्य देखकर सभी स्तब्ध रह गए।
बताया जा रहा है कि राजा मुखर्जी ने पहले अपनी मां को गोली मारी और उसके बाद खुद को भी गोली मार ली। घटना के समय घर में आग भी लग गई, जिससे स्थिति और भयावह हो गई। स्थानीय लोगों ने तुरंत पुलिस और दमकल विभाग को सूचना दी।
सूचना मिलते ही कुल्टी थाना पुलिस और दमकल की कई गाड़ियां मौके पर पहुंचीं। दमकल कर्मियों ने कड़ी मशक्कत के बाद आग पर काबू पाया। पुलिस ने दोनों शवों को बरामद कर पोस्टमार्टम के लिए भेज दिया है।
राजा मुखर्जी एक निजी कारखाने में गनमैन के पद पर कार्यरत था। प्रारंभिक जांच में पारिवारिक कलह को घटना का संभावित कारण माना जा रहा है। हालांकि पुलिस सभी पहलुओं से मामले की गहन जांच कर रही है और आसपास के लोगों से पूछताछ की जा रही है।
घटना के बाद पूरे इलाके में शोक और दहशत का माहौल है। पड़ोसियों के अनुसार, परिवार सामान्य रूप से रहता था और इस तरह की घटना की किसी को आशंका नहीं थी।
पुलिस का कहना है कि पोस्टमार्टम रिपोर्ट और फॉरेंसिक जांच के बाद ही घटना के कारणों का स्पष्ट खुलासा हो

পুলিশের মানবিকতায় বাঁচল এক ছাত্রের বছরঅরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড ভুলে যাওয়ায় বিপাকে পরীক্ষার্থী, তৎপরতায় উদ্ধার আসানসোল পুলিশের

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী আসানসোল : সাধারণ মানুষের মনে প্রায়ই পুলিশের প্রতি নানা নেতিবাচক ধারণা কাজ করে। কিন্তু আমরা অনেক সময় ভুলে যাই, পুলিশকর্মীরা দিনরাত ডিউটিতে থাকেন বলেই আমরা নিজেদের ঘরে ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপদে থাকতে পারি। পুলিশের সেই মানবিক ও দায়িত্বশীল রূপেরই আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সামনে এল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন।
বর্তমানে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। এথোড়া এলাকার বাসিন্দা সায়ন চট্টোপাধ্যায়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে আসানসোলের ধাধকা এলাকার এন সি লাহিড়ী স্কুলে। পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষা দিতে কেন্দ্র পৌঁছনোর পর সায়ন বুঝতে পারেন, তিনি ভুলবশত অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড বাড়িতেই রেখে এসেছেন। তাঁর কাছে ছিল শুধুমাত্র অ্যাডমিট কার্ডের একটি ফটোকপি।
সেই সময় হাতে আর এতটুকু সময় ছিল না যে তিনি এথোড়ায় বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে আসতে পারবেন। এক মুহূর্তে তাঁর মনে হয়, সামান্য একটি ভুলের জন্য হয়তো তাঁর গোটা একটি বছর নষ্ট হয়ে যাবে। চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের কাছে সাহায্য চান।
পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সঙ্গে সঙ্গে আশ্বস্ত করেন যে তাঁকে চিন্তা করতে হবে না। এরপর তাঁরা সায়নকে নিয়ে গাড়িতে করে এথোড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এন সি লাহিড়ী স্কুল থেকে এথোড়ার দূরত্ব প্রায় পাঁচ কিলোমিটার।
পথেই পুলিশকর্মীরা সায়নের মায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানান, তিনি যেন অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে বাড়ির বাইরে প্রস্তুত থাকেন। পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী সায়নের মা অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। পুলিশ গাড়ি পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দ্রুত ছেলের হাতে অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড তুলে দেন।
এরপর পুলিশকর্মীরা আর সময় নষ্ট না করে সায়নকে নিয়ে পুনরায় স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে সক্ষম হন। পুলিশের এই তৎপরতা ও মানবিক উদ্যোগের ফলে সায়নের একটি বছর নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
ঘটনা সম্পর্কে সায়ন বলেন, “একটি ছোট ভুলের জন্য যখন মনে হচ্ছিল আমার পুরো বছরটাই নষ্ট হয়ে যাবে, ঠিক তখনই পুলিশকর্মীরা দেবদূতের মতো আমার পাশে দাঁড়ান। তাঁদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। পুরো পুলিশ বিভাগের প্রতি আমার আন্তরিক ধন্যবাদ রইল।”
সায়নের বাবা শান্তনু চট্টোপাধ্যায় জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ছেলের অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড ভুলে যাওয়ার কথা জানতে পেরে তিনি ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান। নিজের পক্ষে তখন দ্রুত গিয়ে অ্যাডমিট কার্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব ছিল না। তিনি প্রায় ধরে নিয়েছিলেন, ছেলের একটি বছর হয়তো নষ্ট হয়ে যাবে।
কিন্তু পুলিশের তৎপরতার খবর পেয়ে তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। তিনি বলেন, “যেভাবে পুলিশ আমার ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁদের ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার কাছে নেই।”
এই ঘটনায় আবারও প্রমাণিত হল, দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতার ক্ষেত্রেও পুলিশ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে।