আবারও টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা, রেল ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে আসানসোলে ব্রিজ পরিদর্শনে মেয়র

আসানসোল : আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায় শুক্রবার আসানসোল জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড থেকে ১৯ নং জাতীয় সড়কের  জুবিলি মোড় সংযোগকারী সেনরেল রোড বা বিবেকানন্দ সরণীর রেল সেতু পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের রেল ইঞ্জিনিয়াররা। এছাড়াও ছিলেন ডেপুটি মেয়র ওয়াসিমুল হক, কাউন্সিলর তরুণ চক্রবর্তী ও পুরনিগমের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা।
এই প্রসঙ্গে, মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, আমি ফোনে এদিন আসানসোল ডিভিশনের ডিআরএমকে সেনরেল রোডের রেল ব্রিজের নীচে জল জমার কথা বলেছিলাম। ডিআরএম রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকদের পাঠিয়েছেন। তাদেরকে সাথে নিয়ে এই রেল ব্রিজ পরিদর্শন করলাম। এদিন বৃষ্টি হওয়ায় পরিদর্শন করতে একটু অসুবিধা হলেও, বিষয়টি দেখা হয়েছে। রেল ও আসানসোল পুরনিগম খতিয়ে দেখছে কিভাবে এই ব্রিজের নিচে জল জমার সমস্যা সমাধান করা যায়।

এই ব্রিজের নিচে বিদ্যুতের তারও গেছে। শনিবার আবার পরিদর্শন করা হবে। বিদ্যুৎ বন্টন নিগমের আধিকারিকদের ডাকা হবে। মেয়র আরো বলেন, সামান্য বৃষ্টির পরও এই ব্রিজের নিচে জল জমে যায়। যে কারণে আসানসোলের জিটি রোড থেকে জাতীয় সড়কের দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িগুলিকে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক বড় বড় হাসপাতাল এই রাস্তায় আছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসকের কার্যালয়ও এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। তাই এই ব্রিজের নিচে জল জমে যাওয়ার সমস্যার সমাধানের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে আসানসোল শহর তথা শিল্পাঞ্চল জুড়ে টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালেও বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে আবারও বৃষ্টি হয়। যা দুপুর পর্যন্ত চলে। এই বৃষ্টিতে আসানসোল স্টেশন রোডের ১৩ নং মোড়, হটন রোডের আর্য সরণী মোড়, দিলদার নগর, চেলিডাঙ্গা, রেলপার সহ নিচু এলাকা ও কালভার্ট জলের তলায় চলে যায়। বেশ কিছু বাড়িতেও জল ঢোকে।
এদিকে, নর্দমা পরিষ্কার না হওয়ায় বাড়িতে ঢুকে যাচ্ছে বৃষ্টির জল। এমনটাই অভিযোগ আসানসোলের ইসমাইল গুরু নানক পল্লীর বাসিন্দাদের। আসানসোল পুরনিগমের ৮৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার এদিনের ঘটনার কথা জানতে পেরে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক নেই। নর্দমা নিয়মিত ভাবে পরিষ্কার হয় না এইসব এলাকায়। যার ফলে অল্প বৃষ্টিতেই নালির জল ঘরে ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। শুধু ৮৪ নং ওয়ার্ড নয়, আসানসোল পুরনিগমের একাধিক ওয়ার্ডেই এই ছবি দেখতে পাওয়া গেলো।


বৃহস্পতিবার রাতের পরে শুক্রবার সকাল থেকে দফায় দফায় হচ্ছে বৃষ্টি। এর ফলে নর্দমার জল উপচে চলে এসেছে রাস্তায় ও বাড়িতে। বহুবার কাউন্সিলর ও আসানসোল পুরনিগমকে বলেও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এইভাবে সারাদিন যদি বৃষ্টি হতে থাকে তাহলে বাড়িঘরে এক হাঁটুর উপর জল জমে যাবে। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা যাবে না বলেও তাদের অভিযোগ। 
অন্যদিকে, আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার ও রবিবার এই বৃষ্টি চলবে।

চিকিৎসার অভাবে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, বিক্ষোভ,  উত্তেজনা মানকর গ্রামীন হাসপাতালে

বুদবুদ : এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালো পশ্চিম বর্ধমানে বুদবুদের মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে। শুক্রবার সকালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম মাধাই বাদ্যকর (৫৬)। তার বাড়ি বুদবুদের কোটা গ্রামে।


জানা গেছে, শুক্রবার সকালে মাধাই বাদ্যকরের বুকে ব্যথা হয়। বাড়ির লোকেরা তাকে তড়িঘড়ি মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরিবারের অভিযোগ, তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সেই সময় হাসপাতালে কোন ডাক্তার এমার্জেন্সিতে উপস্থিত ছিলেন না। ডাক্তার না থাকার কারণে তার ন্যুনতম চিকিৎসা করা হয়নি। ফলে বিনা চিকিৎসায় ঐ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে পরিবারের লোকজনেরা । পরে হাসপাতলে চিকিৎসক না থাকায় সেখানকার কর্তব্যরত নার্সকে বলা হয়। তখন সেই নার্স মাধাই বাদ্যকরকে একটি ইনজেকশন দেন। পরিবারের অভিযোগ ইনজেকশন দেওয়ার পরেই তার মৃত্যু হয়।

এরপর চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। বুদবুদ থানার পুলিশের সাথে বেশ কিছুক্ষণ ধরে মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনদের বচসাও চলে। যদিও হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসা নিয়ে ঐ রোগীর পরিবারের একটা অভিযোগ ছিলো। সবার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছে।

জামুড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মৃত্যু যুবকের

File photo

জামুড়িয়া ও আসানসোল, ২৩ আগষ্টঃ পুকুরে স্নান করতে নেমে জলে ডুবে মৃত্যু হলো এক যুবকের। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের জামুড়িয়া থানার বোগড়া এলাকায়। বোগড়া নিচুপাড়ার বাসিন্দা মৃত যুবকের নাম কুন্দন বাউরি (৩৫)। শুক্রবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে যুবকের মৃতদেহর ময়নাতদন্ত হয়।
জানা গেছে, জামুড়িয়া থানার বোগড়া নিচুপাড়ার বাসিন্দা কুন্দন বাউরি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির অদূরে তালপুকুরে স্নান করতে যায়। পুকুরে নেমে সে জলে ডুবে যায়। পরে বাড়ির লোকেরা তাকে পুকুরের জলে ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে জামুড়িয়া থানার পুলিশ এলাকায় আসে।
প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, ঐ যুবক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুকুরের জলে স্নান করতে নেমেছিলো। যে কারণে সে বেসামাল হয়ে পুকুরের জলে ডুবে যায় ও তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

শচীন রায়ের জন্মদিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন

আসানসোল : আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুল এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শচীন রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে। এই উপলক্ষে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী সোমাত্মানন্দ জি মহারাজ স্কুলের রজত জয়ন্তী গেট উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ভূমিপূজো করে স্কুলের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এছাড়া এক রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। এই রক্তদান শিবির আয়োজনে সহযোগিতা করেন প্রবীর ধর। এর পাশাপাশি এদিন চক্ষু ও দাঁতের পরীক্ষার একটি ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এছাড়াও বৃক্ষরোপনের একটি কর্মসূচি ছিলো।

এই প্রসঙ্গে শচীন রায় বলেন, আমি সর্বদা সামাজিক কাজ করতে চাই। তাই জন্মদিনে একটি বৃক্ষরোপণ সহ একাধিক সমাজের উপকার হয়, এমন কিছুর আয়োজন করা হয়েছিলো। শচীন রায় আরো বলেন, শুধু আমার জন্মদিনই নয়, সবসময় ঈশ্বরের কৃপায় মানুষের সেবা চালিয়ে যেতে চাই। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের স্বামী সৌমাত্মানন্দ জি মহারাজকে ধন্যবাদ জানান এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য। এদিন অনুষ্ঠানে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের উন্নয়ন তহবিলে ১ লক্ষ টাকার চেক এবং পাশাপাশি সামাজিক সংস্থা আসানসোল “প্রগতি”কে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শচীন রায়ের স্ত্রী স্কুলের ডিরেক্টর মিতা রায়, পুত্র স্কুলের ডিরেক্টর গৌরব রায়, আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলের অধ্যক্ষ রাজীব শা এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া, শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মচারীরা।

जामुड़िया में एनएच-19 के जेके नगर मोड़ पर भीषण सड़क हादसा, सीसीटीवी में कैद हुई घटना


पब्लिक न्यूज भरत पासवान जामुड़िया:
19 नंबर राष्ट्रीय राजमार्ग (एनएच-19) के जामुड़िया थाना अंतर्गत जेके नगर मोड़ के पास एक भीषण सड़क दुर्घटना की घटना सामने आई है। पूरी घटना वहां लगे सीसीटीवी कैमरे में कैद हो गई।
जानकारी के अनुसार, एक तेज रफ्तार चारपहिया वाहन ने सामने से आ रही मोटरसाइकिल को जोरदार टक्कर मार दी। टक्कर इतनी जबरदस्त थी कि मोटरसाइकिल सवार युवक गंभीर रूप से घायल हो गया। हादसे के बाद आरोपी वाहन चालक मौके से फरार हो गया।
दुर्घटना के बाद घायल युवक सड़क पर छिटक कर गिर पड़ा। घटना को देख आसपास के स्थानीय लोग तुरंत मौके पर पहुंचे और उसे উদ্ধার कर इलाज के लिए अस्पताल भेजा।
स्थानीय लोगों का आरोप है कि बोगड़ा से जेके नगर मोड़ तक राष्ट्रीय राजमार्ग के चौड़ीकरण का काम लंबे समय से अधूरा पड़ा है। सड़क संकरी होने और पर्याप्त सुरक्षा व्यवस्था नहीं होने के कारण आए दिन छोटे-बड़े हादसे हो रहे हैं।
लगातार दुर्घटनाओं के बावजूद राष्ट्रीय राजमार्ग प्राधिकरण और प्रशासन की ओर से ठोस पहल नहीं किए जाने पर स्थानीय लोगों में आक्रोश बढ़ता जा रहा है। लोगों की मांग है कि जल्द से जल्द सड़क विस्तार का काम पूरा किया जाए।
घटना की जांच जामुड़िया थाना पुलिस ने शुरू कर दी है। फरार चारपहिया वाहन की तलाश की जा रही है।

দুর্গাপুরের রাঁচি কলোনিতে যুবককে ঘিরে গণপিটুনি, নাবালিকা গর্ভবতী হওয়ার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান:
দুর্গাপুর শহরের রাঁচি কলোনি এলাকায় এক যুবককে ঘিরে গণপিটুনির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। পুলিশের তৎপরতায় বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বসবাসকারী মহিলাদের ও নাবালিকাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠছিল। যদিও অভিযোগগুলির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, অভিযুক্তের আচরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমে ছিল।
সম্প্রতি এলাকার এক নাবালিকা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় জানা যায়, ওই নাবালিকা গর্ভবতী। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নাবালিকার পরিবারের তরফে অভিযোগের আঙুল ওঠে ওই যুবকের দিকেই। যদিও গোটা ঘটনার তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত যুবককে এলাকায় দেখতে পেয়ে উত্তেজিত জনতা তাকে ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাকে মারধর করা হয় বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, কয়েকজন লাঠি নিয়েও চড়াও হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক গুরুতর জখম হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। এলাকায় যাতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, নাবালিকার শারীরিক অবস্থা, অভিযোগের সত্যতা এবং গণপিটুনির ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য স্থানীয়দের কাছে আবেদন জানিয়েছে প্রশাসন।
ঘটনার পর এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ ও প্রশাসন। তদন্তের অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা

পাণ্ডবেশ্বরে ভোটের আগেই ‘মিম ওয়ার’ তীব্র, ডিজিটাল লড়াই এখন চর্চার কেন্দ্রে

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর:পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র এ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের তারিখ ঘোষণা হয়নি, প্রার্থীদের নামও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি। তবুও এলাকায় রাজনৈতিক পরিবেশ ইতিমধ্যেই তপ্ত। এর প্রধান কারণ—সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হওয়া অভিনব ‘মিম ওয়ার’, যা নির্বাচনী লড়াইকে দিয়েছে এক ডিজিটাল রূপ।
পাণ্ডবেশ্বরে প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি এবং বর্তমান বিধায়ক নরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী-র সমর্থকদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র বাকযুদ্ধ দেখা যাচ্ছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামের মতো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দুই পক্ষের সমর্থকেরা একে অপরকে লক্ষ্য করে মিমের মাধ্যমে কটাক্ষ ছুঁড়ছেন।
এই মিমগুলিতে কখনও উন্নয়নের প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, কখনও ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রমণের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিশানা করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই ‘মিম যুদ্ধ’ শুধুমাত্র বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর মাধ্যমে অত্যন্ত কৌশলী উপায়ে রাজনৈতিক বার্তাও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ডিজিটাল লড়াই আসন্ন নির্বাচনের ইঙ্গিতও বহন করতে পারে। যুব সমাজের বাড়তি অংশগ্রহণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তৃত প্রভাব নির্বাচনী প্রচারের ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। এক সময় পোস্টার, ব্যানার ও জনসভা ছিল প্রধান অস্ত্র; এখন মিম ও ভাইরাল পোস্টও সমান কার্যকর হয়ে উঠেছে।
তবে এই ‘মিম ওয়ার’ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করছেন অনেকে। তাঁদের মতে, এটি যদি সীমার মধ্যে থাকে, তবে তা গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশের অংশ। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা ভুয়ো তথ্য ছড়ালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।
সব মিলিয়ে, পাণ্ডবেশ্বরে ভোটের আনুষ্ঠানিক দামামা বাজার আগেই ডিজিটাল রণক্ষেত্র প্রস্তুত। এখন দেখার বিষয়, এই ‘মিম ওয়ার’ বাস্তব নির্বাচনী ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।

आसनसोल के कुल्टी में सनसनीखेज वारदात: बेटे ने माँ की गोली मारकर हत्या की, फिर खुद भी दी ,पारिवारिक विवाद के बीच दिल दहला देने वाली घटना, इलाके में दहशत और मातम

पब्लिक न्यूज प्रकाश दास आसनसोल (पश्चिम बंगाल):
पश्चिम बंगाल के आसनसोल स्थित कुल्टी थाना क्षेत्र में शुक्रवार तड़के एक सनसनीखेज और हृदयविदारक घटना सामने आई। यहां एक बेटे ने अपनी ही मां की गोली मारकर हत्या कर दी और इसके बाद खुद भी आत्महत्या कर ली। इस दर्दनाक वारदात से पूरे इलाके में सनसनी फैल गई है।
मृतकों की पहचान राजा मुखर्जी और उनकी मां संध्या मुखर्जी के रूप में हुई है। परिजनों के अनुसार, पिछले कुछ दिनों से परिवार में किसी बात को लेकर तनाव और विवाद चल रहा था। शुक्रवार सुबह अचानक घर से गोली चलने की आवाज सुनाई दी। जब परिजन और आसपास के लोग मौके पर पहुंचे तो घर के अंदर का दृश्य देखकर सभी स्तब्ध रह गए।
बताया जा रहा है कि राजा मुखर्जी ने पहले अपनी मां को गोली मारी और उसके बाद खुद को भी गोली मार ली। घटना के समय घर में आग भी लग गई, जिससे स्थिति और भयावह हो गई। स्थानीय लोगों ने तुरंत पुलिस और दमकल विभाग को सूचना दी।
सूचना मिलते ही कुल्टी थाना पुलिस और दमकल की कई गाड़ियां मौके पर पहुंचीं। दमकल कर्मियों ने कड़ी मशक्कत के बाद आग पर काबू पाया। पुलिस ने दोनों शवों को बरामद कर पोस्टमार्टम के लिए भेज दिया है।
राजा मुखर्जी एक निजी कारखाने में गनमैन के पद पर कार्यरत था। प्रारंभिक जांच में पारिवारिक कलह को घटना का संभावित कारण माना जा रहा है। हालांकि पुलिस सभी पहलुओं से मामले की गहन जांच कर रही है और आसपास के लोगों से पूछताछ की जा रही है।
घटना के बाद पूरे इलाके में शोक और दहशत का माहौल है। पड़ोसियों के अनुसार, परिवार सामान्य रूप से रहता था और इस तरह की घटना की किसी को आशंका नहीं थी।
पुलिस का कहना है कि पोस्टमार्टम रिपोर्ट और फॉरेंसिक जांच के बाद ही घटना के कारणों का स्पष्ट खुलासा हो

পুলিশের মানবিকতায় বাঁচল এক ছাত্রের বছরঅরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড ভুলে যাওয়ায় বিপাকে পরীক্ষার্থী, তৎপরতায় উদ্ধার আসানসোল পুলিশের

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী আসানসোল : সাধারণ মানুষের মনে প্রায়ই পুলিশের প্রতি নানা নেতিবাচক ধারণা কাজ করে। কিন্তু আমরা অনেক সময় ভুলে যাই, পুলিশকর্মীরা দিনরাত ডিউটিতে থাকেন বলেই আমরা নিজেদের ঘরে ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপদে থাকতে পারি। পুলিশের সেই মানবিক ও দায়িত্বশীল রূপেরই আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সামনে এল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন।
বর্তমানে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। এথোড়া এলাকার বাসিন্দা সায়ন চট্টোপাধ্যায়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে আসানসোলের ধাধকা এলাকার এন সি লাহিড়ী স্কুলে। পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষা দিতে কেন্দ্র পৌঁছনোর পর সায়ন বুঝতে পারেন, তিনি ভুলবশত অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড বাড়িতেই রেখে এসেছেন। তাঁর কাছে ছিল শুধুমাত্র অ্যাডমিট কার্ডের একটি ফটোকপি।
সেই সময় হাতে আর এতটুকু সময় ছিল না যে তিনি এথোড়ায় বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে আসতে পারবেন। এক মুহূর্তে তাঁর মনে হয়, সামান্য একটি ভুলের জন্য হয়তো তাঁর গোটা একটি বছর নষ্ট হয়ে যাবে। চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের কাছে সাহায্য চান।
পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সঙ্গে সঙ্গে আশ্বস্ত করেন যে তাঁকে চিন্তা করতে হবে না। এরপর তাঁরা সায়নকে নিয়ে গাড়িতে করে এথোড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এন সি লাহিড়ী স্কুল থেকে এথোড়ার দূরত্ব প্রায় পাঁচ কিলোমিটার।
পথেই পুলিশকর্মীরা সায়নের মায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানান, তিনি যেন অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে বাড়ির বাইরে প্রস্তুত থাকেন। পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী সায়নের মা অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। পুলিশ গাড়ি পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দ্রুত ছেলের হাতে অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড তুলে দেন।
এরপর পুলিশকর্মীরা আর সময় নষ্ট না করে সায়নকে নিয়ে পুনরায় স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে সক্ষম হন। পুলিশের এই তৎপরতা ও মানবিক উদ্যোগের ফলে সায়নের একটি বছর নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
ঘটনা সম্পর্কে সায়ন বলেন, “একটি ছোট ভুলের জন্য যখন মনে হচ্ছিল আমার পুরো বছরটাই নষ্ট হয়ে যাবে, ঠিক তখনই পুলিশকর্মীরা দেবদূতের মতো আমার পাশে দাঁড়ান। তাঁদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। পুরো পুলিশ বিভাগের প্রতি আমার আন্তরিক ধন্যবাদ রইল।”
সায়নের বাবা শান্তনু চট্টোপাধ্যায় জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ছেলের অরিজিনাল অ্যাডমিট কার্ড ভুলে যাওয়ার কথা জানতে পেরে তিনি ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান। নিজের পক্ষে তখন দ্রুত গিয়ে অ্যাডমিট কার্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব ছিল না। তিনি প্রায় ধরে নিয়েছিলেন, ছেলের একটি বছর হয়তো নষ্ট হয়ে যাবে।
কিন্তু পুলিশের তৎপরতার খবর পেয়ে তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। তিনি বলেন, “যেভাবে পুলিশ আমার ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁদের ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার কাছে নেই।”
এই ঘটনায় আবারও প্রমাণিত হল, দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতার ক্ষেত্রেও পুলিশ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে।

आसनसोल पोलो ग्राउंड में क्रिकेट प्रतियोगिता का रोमांचक फाइनल, मनोहर बहाल फैक्ट्री बनी विजेता


पब्लिक न्यूज भरत पासवान आसनसोल : आज आसनसोल के पोलो ग्राउंड में श्रीमा पॉली पैक की ओर से आयोजित क्रिकेट प्रतियोगिता का फाइनल मुकाबला खेला गया। इस रोमांचक फाइनल मैच में मनोहर बहाल फैक्ट्री ने शानदार प्रदर्शन करते हुए खिताबी जीत हासिल की और ट्रॉफी पर कब्जा जमाया।
फाइनल मुकाबला बेहद रोमांचक रहा, जिसमें दोनों टीमों के खिलाड़ियों ने बेहतरीन खेल का प्रदर्शन किया। अंततः मनोहर बहाल की टीम ने शानदार खेल दिखाते हुए जीत दर्ज की।
इस अवसर पर श्रीमा पॉली पैक कंपनी के तमाम अधिकारी मौजूद रहे। साथ ही आसनसोल नगर निगम के एमएमआईसी गुरदास चटर्जी मुख्य रूप से उपस्थित थे। उन्होंने फाइनल मुकाबले का आनंद लिया और विजेता टीम को बधाई दी।
गुरदास चटर्जी ने कहा कि पूरी प्रतियोगिता बेहद प्रतिस्पर्धात्मक माहौल में खेली गई और सभी टीमों ने एक से बढ़कर एक प्रदर्शन किया। उन्होंने आयोजकों की भी सराहना करते हुए कहा कि इस तरह के आयोजन से खिलाड़ियों का उत्साह बढ़ता है और खेल भावना को प्रोत्साहन मिलता है।

आसनसोल में ‘सक्षम’ निशुल्क कृत्रिम अंग शिविर की घोषणा, 20–22 मार्च को पार्वती हॉल में आयोजन


पब्लिक न्यूज प्रकाश दास आसनसोल : रोटरी क्लब ऑफ आसनसोल ग्रेटर की ओर से आज आसनसोल क्लब में एक संवाददाता सम्मेलन का आयोजन किया गया।
इस मौके पर क्लब के अध्यक्ष सचिन राय, आसनसोल नगर निगम के चेयरमैन अमरनाथ चटर्जी, डिप्टी मेयर अभिजीत घटक, डिप्टी मेयर वसीम उल हक, एमएमआईसी गुरदास चटर्जी सहित क्लब के सदस्य सपन चौधरी, अमिताभ मुखर्जी, सुबीर राय एवं अन्य सदस्य उपस्थित थे।
सचिन राय ने जानकारी दी कि रोटरी क्लब ऑफ आसनसोल ग्रेटर (डिस्ट्रिक्ट 3240) की ओर से 20, 21 और 22 मार्च को एसबी गोरई रोड स्थित पार्वती हॉल में निशुल्क आर्टिफिशियल लिंब, कैलिपर एवं प्रोस्थेटिक हैंड एंड लेग कैंप का आयोजन किया जाएगा। इस शिविर का नाम “सक्षम” रखा गया है।
उन्होंने बताया कि रोटरी क्लब ऑफ कोलकाता प्रेसीडेंसी और महावीर सेवा सदन, कोलकाता के सहयोग से इस शिविर का आयोजन किया जा रहा है। जिन लोगों के हाथ या पैर कट गए हैं, उन्हें विशेषज्ञ चिकित्सकों की निगरानी में जांच के बाद निशुल्क कृत्रिम अंग प्रदान किए जाएंगे। शिविर में आने वाले लाभार्थियों और उनके परिजनों के लिए रहने और भोजन की भी व्यवस्था की जाएगी।
सचिन राय ने कहा कि यह संस्था का एक महत्वपूर्ण सामाजिक कार्य है, जिससे समाज के बड़े वर्ग को मुख्यधारा से जुड़ने में मदद मिलेगी।
संस्था के वरिष्ठ सदस्य सुबीर राय ने वीडियो प्रेजेंटेशन के माध्यम से पहले दुर्गापुर में आयोजित ऐसे ही शिविर की जानकारी दी और दिखाया कि किस प्रकार दिव्यांगजनों को कृत्रिम अंग लगाए जाते हैं।
इस अवसर पर अमरनाथ चटर्जी ने रोटरी क्लब की इस पहल की सराहना करते हुए कहा कि कृत्रिम अंग काफी महंगे होते हैं और हर किसी के लिए इन्हें लगवाना संभव नहीं होता। ऐसे में यह पहल जरूरतमंदों के लिए अत्यंत लाभकारी साबित होगी।
डिप्टी मेयर अभिजीत घटक ने आश्वासन दिया कि आसनसोल नगर निगम की ओर से शिविर को सफल बनाने के लिए हर संभव सहयोग दिया जाएगा। वहीं डिप्टी मेयर वसीम उल हक ने कहा कि वे रेल पार क्षेत्र में उर्दू में लीफलेट छपवाकर प्रचार-प्रसार करेंगे, ताकि अधिक से अधिक दिव्यांगजन इस शिविर का लाभ उठा सकें।
गुरदास चटर्जी ने भी इस सामाजिक पहल की प्रशंसा की और कहा कि एक सामाजिक संगठन के रूप में इस तरह का कार्य अत्यंत सराहनीय है।
सचिन राय ने बताया कि इससे पूर्व संस्था द्वारा जमुरिया के एक प्राथमिक विद्यालय में स्मार्ट क्लास की स्थापना, एक आश्रम के लिए एंबुलेंस की व्यवस्था तथा जल्द ही रामकृष्ण मिशन, आसनसोल में एक कंपोजिट लैबोरेटरी के निर्माण की योजना पर कार्य किया जा रहा है।
उन्होंने 20–22 मार्च को आयोजित इस निशुल्क कृत्रिम अंग शिविर को सफल बनाने के लिए सभी से सहयोग की अपील की। यदि किसी जरूरतमंद व्यक्ति को कृत्रिम अंग की आवश्यकता हो तो निम्नलिखित नंबरों पर संपर्क कर पंजीकरण कराया जा सकता है:
7908 925 549 / 9434 214590 / 74075 28067 / 98310 62000 / 86538 39325 / 9800 792206 / 9333118632

पुलवामा शहीद दिवस पर पांडवेश्वर में सियासी विवाद, शहीद वेदी पर ताला मिलने से भड़के जितेंद्र तिवारी

पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव आसनसोल पांडवेश्वर : 14 फरवरी 2020 को पाकिस्तान समर्थित आतंकवादियों द्वारा जम्मू-कश्मीर के पुलवामा में सीआरपीएफ के काफिले पर हुए हमले में 40 जवान शहीद हो गए थे। शहीदों की स्मृति में तत्कालीन पांडवेश्वर विधायक जितेंद्र तिवारी द्वारा पांडवेश्वर में एक शहीद वेदी का निर्माण कराया गया था।
आज पुलवामा शहीद दिवस के अवसर पर जब जितेंद्र तिवारी अपने समर्थकों के साथ शहीदों को श्रद्धांजलि देने शहीद वेदी पर पहुंचे, तो वहां ताला लगा हुआ पाया गया। इसे लेकर उन्होंने कड़ी नाराजगी जताई।
जितेंद्र तिवारी ने आरोप लगाया कि पांडवेश्वर के वर्तमान विधायक नरेंद्र नाथ चक्रवर्ती ने हमेशा देश के खिलाफ बयानबाजी की है। उन्होंने कहा कि जब “ऑपरेशन सिंदूर” चल रहा था, तब भी वर्तमान विधायक ने देश विरोधी बयान दिया था।
उन्होंने कहा कि शहीद वेदी का निर्माण उन्होंने अपने विधायक वेतन से कराया था, जिसमें अन्य लोगों का भी सहयोग था। बावजूद इसके आज शहीदों को श्रद्धांजलि देने के दिन वेदी पर ताला लगाया जाना बेहद दुर्भाग्यपूर्ण है।
तिवारी ने कहा कि यह घटना दर्शाती है कि वर्तमान विधायक को देश और शहीदों के प्रति कोई सम्मान नहीं है। उन्होंने यह भी कहा कि पांडवेश्वर की जनता सब देख रही है और उचित समय पर इसका जवाब देगी।

साथी परियोजना के तहत फॉर्म वितरण की तैयारी, रविंद्र भवन का अधिकारियों ने लिया जायजा

पब्लिक न्यूज भरत पासवान आसनसोल : आसनसोल नगर निगम की कमिश्नर एकम जे सिंह, एसडीओ विश्वजीत भट्टाचार्य तथा अन्य वरिष्ठ प्रशासनिक अधिकारियों ने आज रविंद्र भवन का दौरा कर व्यवस्थाओं का जायजा लिया।
बताया गया है कि कल से रविंद्र भवन में ममता बनर्जी द्वारा घोषित “युवा साथी” परियोजना के तहत फॉर्म वितरण की प्रक्रिया शुरू की जाएगी। यह फॉर्म अगले सात दिनों तक वितरित किए जाएंगे।
हाल ही में मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने घोषणा की थी कि राज्य सरकार 18 से 40 वर्ष आयु वर्ग के युवाओं के लिए “युवा साथी” नामक बेरोजगारी भत्ता योजना शुरू कर रही है। इस योजना के तहत माध्यमिक उत्तीर्ण युवा आवेदन कर सकते हैं और पात्र लाभार्थियों को प्रति माह 1500 रुपये का भत्ता प्रदान किया जाएगा।
फॉर्म वितरण की व्यवस्था और संभावित भीड़ को देखते हुए आज प्रशासनिक अधिकारियों ने स्थल निरीक्षण कर आवश्यक तैयारियों की समीक्षा की, ताकि योजना का लाभ लेने आने वाले युवाओं को किसी प्रकार की असुविधा न हो।

पुलिस बनी देवदूत, तत्परता से बचाया छात्र का एक साल


पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव आसनसोल : अक्सर आम लोगों के मन में पुलिस को लेकर नकारात्मक भावनाएं बनी रहती हैं, लेकिन हम यह भूल जाते हैं कि पुलिसकर्मी अपनी ड्यूटी पर तैनात रहकर ही हमें सुरक्षित माहौल प्रदान करते हैं। पुलिस के इसी मानवीय और जिम्मेदार रूप की एक मिसाल उस समय देखने को मिली, जब एक छात्र की छोटी सी गलती उसके पूरे साल पर भारी पड़ने वाली थी।
इन दिनों पूरे पश्चिम बंगाल में उच्च माध्यमिक की परीक्षा चल रही है। एथोड़ा निवासी सायन चटर्जी का परीक्षा केंद्र आसनसोल के धधका इलाके स्थित एन. सी. लहरी स्कूल में पड़ा है। परीक्षा के पहले दिन जब वह बांग्ला विषय की परीक्षा देने केंद्र पहुंचे, तब उन्हें एहसास हुआ कि वे मूल एडमिट कार्ड घर पर ही भूल आए हैं और उनके पास केवल उसकी फोटोकॉपी है।
समय कम होने के कारण उनके पास घर जाकर एडमिट कार्ड लाने का अवसर नहीं था। जब उन्हें लगा कि उनकी एक छोटी सी भूल से उनका पूरा साल बर्बाद हो सकता है, तब उन्होंने परीक्षा केंद्र के पास तैनात पुलिस अधिकारियों से मदद लेने का निर्णय लिया।
पुलिस अधिकारियों ने तुरंत स्थिति को समझा और छात्र को आश्वस्त किया। वे सायन को अपने साथ लेकर एथोड़ा के लिए रवाना हुए, जो स्कूल से लगभग 5 किलोमीटर दूर है। रास्ते में ही उन्होंने छात्र की मां को फोन कर मूल एडमिट कार्ड लेकर घर के बाहर तैयार रहने को कहा।
पुलिस की सलाह के अनुसार सायन की मां एडमिट कार्ड लेकर बाहर खड़ी थीं। जैसे ही पुलिस वाहन वहां पहुंचा, एडमिट कार्ड सौंप दिया गया और पुलिसकर्मी तुरंत छात्र को लेकर वापस परीक्षा केंद्र की ओर रवाना हो गए। समय रहते सायन परीक्षा केंद्र पहुंच गया और परीक्षा दे सका।
सायन ने पुलिस अधिकारियों को धन्यवाद देते हुए कहा कि जब उन्हें लग रहा था कि उनका साल बर्बाद हो जाएगा, तब पुलिस उनके लिए देवदूत बनकर आई। उन्होंने पूरे पुलिस विभाग के प्रति आभार व्यक्त किया।
वहीं छात्र के पिता शांतनु चटर्जी ने भी पुलिस की तत्परता की सराहना की। उन्होंने बताया कि वह एक निजी संस्थान में कार्यरत हैं और समयाभाव के कारण स्वयं एडमिट कार्ड पहुंचाने में असमर्थ थे। ऐसे में पुलिस द्वारा की गई मदद से उनका बेटा परीक्षा दे सका, जिसके लिए वे बेहद आभारी हैं।
यह घटना एक बार फिर साबित करती है कि पुलिस केवल कानून-व्यवस्था बनाए रखने तक सीमित नहीं है, बल्कि जरूरत पड़ने पर आम नागरिकों की मदद के लिए भी हमेशा तत्पर रहती