আবারও টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা, রেল ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে আসানসোলে ব্রিজ পরিদর্শনে মেয়র

আসানসোল : আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায় শুক্রবার আসানসোল জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড থেকে ১৯ নং জাতীয় সড়কের  জুবিলি মোড় সংযোগকারী সেনরেল রোড বা বিবেকানন্দ সরণীর রেল সেতু পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের রেল ইঞ্জিনিয়াররা। এছাড়াও ছিলেন ডেপুটি মেয়র ওয়াসিমুল হক, কাউন্সিলর তরুণ চক্রবর্তী ও পুরনিগমের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা।
এই প্রসঙ্গে, মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, আমি ফোনে এদিন আসানসোল ডিভিশনের ডিআরএমকে সেনরেল রোডের রেল ব্রিজের নীচে জল জমার কথা বলেছিলাম। ডিআরএম রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকদের পাঠিয়েছেন। তাদেরকে সাথে নিয়ে এই রেল ব্রিজ পরিদর্শন করলাম। এদিন বৃষ্টি হওয়ায় পরিদর্শন করতে একটু অসুবিধা হলেও, বিষয়টি দেখা হয়েছে। রেল ও আসানসোল পুরনিগম খতিয়ে দেখছে কিভাবে এই ব্রিজের নিচে জল জমার সমস্যা সমাধান করা যায়।

এই ব্রিজের নিচে বিদ্যুতের তারও গেছে। শনিবার আবার পরিদর্শন করা হবে। বিদ্যুৎ বন্টন নিগমের আধিকারিকদের ডাকা হবে। মেয়র আরো বলেন, সামান্য বৃষ্টির পরও এই ব্রিজের নিচে জল জমে যায়। যে কারণে আসানসোলের জিটি রোড থেকে জাতীয় সড়কের দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িগুলিকে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক বড় বড় হাসপাতাল এই রাস্তায় আছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসকের কার্যালয়ও এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। তাই এই ব্রিজের নিচে জল জমে যাওয়ার সমস্যার সমাধানের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে আসানসোল শহর তথা শিল্পাঞ্চল জুড়ে টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালেও বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে আবারও বৃষ্টি হয়। যা দুপুর পর্যন্ত চলে। এই বৃষ্টিতে আসানসোল স্টেশন রোডের ১৩ নং মোড়, হটন রোডের আর্য সরণী মোড়, দিলদার নগর, চেলিডাঙ্গা, রেলপার সহ নিচু এলাকা ও কালভার্ট জলের তলায় চলে যায়। বেশ কিছু বাড়িতেও জল ঢোকে।
এদিকে, নর্দমা পরিষ্কার না হওয়ায় বাড়িতে ঢুকে যাচ্ছে বৃষ্টির জল। এমনটাই অভিযোগ আসানসোলের ইসমাইল গুরু নানক পল্লীর বাসিন্দাদের। আসানসোল পুরনিগমের ৮৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার এদিনের ঘটনার কথা জানতে পেরে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক নেই। নর্দমা নিয়মিত ভাবে পরিষ্কার হয় না এইসব এলাকায়। যার ফলে অল্প বৃষ্টিতেই নালির জল ঘরে ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। শুধু ৮৪ নং ওয়ার্ড নয়, আসানসোল পুরনিগমের একাধিক ওয়ার্ডেই এই ছবি দেখতে পাওয়া গেলো।


বৃহস্পতিবার রাতের পরে শুক্রবার সকাল থেকে দফায় দফায় হচ্ছে বৃষ্টি। এর ফলে নর্দমার জল উপচে চলে এসেছে রাস্তায় ও বাড়িতে। বহুবার কাউন্সিলর ও আসানসোল পুরনিগমকে বলেও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এইভাবে সারাদিন যদি বৃষ্টি হতে থাকে তাহলে বাড়িঘরে এক হাঁটুর উপর জল জমে যাবে। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা যাবে না বলেও তাদের অভিযোগ। 
অন্যদিকে, আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার ও রবিবার এই বৃষ্টি চলবে।

চিকিৎসার অভাবে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, বিক্ষোভ,  উত্তেজনা মানকর গ্রামীন হাসপাতালে

বুদবুদ : এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালো পশ্চিম বর্ধমানে বুদবুদের মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে। শুক্রবার সকালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম মাধাই বাদ্যকর (৫৬)। তার বাড়ি বুদবুদের কোটা গ্রামে।


জানা গেছে, শুক্রবার সকালে মাধাই বাদ্যকরের বুকে ব্যথা হয়। বাড়ির লোকেরা তাকে তড়িঘড়ি মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরিবারের অভিযোগ, তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সেই সময় হাসপাতালে কোন ডাক্তার এমার্জেন্সিতে উপস্থিত ছিলেন না। ডাক্তার না থাকার কারণে তার ন্যুনতম চিকিৎসা করা হয়নি। ফলে বিনা চিকিৎসায় ঐ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে পরিবারের লোকজনেরা । পরে হাসপাতলে চিকিৎসক না থাকায় সেখানকার কর্তব্যরত নার্সকে বলা হয়। তখন সেই নার্স মাধাই বাদ্যকরকে একটি ইনজেকশন দেন। পরিবারের অভিযোগ ইনজেকশন দেওয়ার পরেই তার মৃত্যু হয়।

এরপর চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। বুদবুদ থানার পুলিশের সাথে বেশ কিছুক্ষণ ধরে মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনদের বচসাও চলে। যদিও হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, চিকিৎসা নিয়ে ঐ রোগীর পরিবারের একটা অভিযোগ ছিলো। সবার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছে।

জামুড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মৃত্যু যুবকের

File photo

জামুড়িয়া ও আসানসোল, ২৩ আগষ্টঃ পুকুরে স্নান করতে নেমে জলে ডুবে মৃত্যু হলো এক যুবকের। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের জামুড়িয়া থানার বোগড়া এলাকায়। বোগড়া নিচুপাড়ার বাসিন্দা মৃত যুবকের নাম কুন্দন বাউরি (৩৫)। শুক্রবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে যুবকের মৃতদেহর ময়নাতদন্ত হয়।
জানা গেছে, জামুড়িয়া থানার বোগড়া নিচুপাড়ার বাসিন্দা কুন্দন বাউরি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির অদূরে তালপুকুরে স্নান করতে যায়। পুকুরে নেমে সে জলে ডুবে যায়। পরে বাড়ির লোকেরা তাকে পুকুরের জলে ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে জামুড়িয়া থানার পুলিশ এলাকায় আসে।
প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, ঐ যুবক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুকুরের জলে স্নান করতে নেমেছিলো। যে কারণে সে বেসামাল হয়ে পুকুরের জলে ডুবে যায় ও তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

শচীন রায়ের জন্মদিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন

আসানসোল : আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুল এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শচীন রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে। এই উপলক্ষে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী সোমাত্মানন্দ জি মহারাজ স্কুলের রজত জয়ন্তী গেট উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ভূমিপূজো করে স্কুলের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এছাড়া এক রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। এই রক্তদান শিবির আয়োজনে সহযোগিতা করেন প্রবীর ধর। এর পাশাপাশি এদিন চক্ষু ও দাঁতের পরীক্ষার একটি ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এছাড়াও বৃক্ষরোপনের একটি কর্মসূচি ছিলো।

এই প্রসঙ্গে শচীন রায় বলেন, আমি সর্বদা সামাজিক কাজ করতে চাই। তাই জন্মদিনে একটি বৃক্ষরোপণ সহ একাধিক সমাজের উপকার হয়, এমন কিছুর আয়োজন করা হয়েছিলো। শচীন রায় আরো বলেন, শুধু আমার জন্মদিনই নয়, সবসময় ঈশ্বরের কৃপায় মানুষের সেবা চালিয়ে যেতে চাই। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের স্বামী সৌমাত্মানন্দ জি মহারাজকে ধন্যবাদ জানান এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য। এদিন অনুষ্ঠানে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের উন্নয়ন তহবিলে ১ লক্ষ টাকার চেক এবং পাশাপাশি সামাজিক সংস্থা আসানসোল “প্রগতি”কে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শচীন রায়ের স্ত্রী স্কুলের ডিরেক্টর মিতা রায়, পুত্র স্কুলের ডিরেক্টর গৌরব রায়, আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলের অধ্যক্ষ রাজীব শা এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া, শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মচারীরা।

ডিবুডিহ চেকপোস্টে কয়লাবোঝাই গাড়ি থেকে ২০০ টাকা করে অবৈধ আদায়ের অভিযোগঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্তে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান: আসানসোলের ডিবুডিহ চেকপোস্টে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করা কয়লাবোঝাই গাড়ি থেকে জোরপূর্বক ২০০ টাকা করে অবৈধ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন একাধিক গাড়িচালক।
চালকদের দাবি, ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্তবর্তী ডিবুডিহ চেকপোস্ট এলাকায় কিছু যুবক নিয়মিত দাঁড়িয়ে থাকে। তারা কুলটি ট্রাফিক পুলিশ ও চৌরঙ্গি পুলিশ ফাঁড়ির উপস্থিতিতেই গাড়িগুলিকে জোর করে রাস্তার ধারে দাঁড় করিয়ে দেয়। অভিযোগ, ২০০ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত গাড়ি ছাড়তে দেওয়া হয় না। টাকা দিতে অস্বীকার করলে চালকদের হেনস্থা করা হয়, এমনকি গালিগালাজ ও মারধরের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
চালকদের আরও দাবি, ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশকর্মীদের কাছে অভিযোগ জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। বরং পুলিশ নাকি জানিয়ে দেয়, এ বিষয়ে তারা কিছু করতে পারবেন না।
গাড়িচালকদের বক্তব্য, তাঁদের কাছে গাড়ির সমস্ত বৈধ নথিপত্র এবং কয়লা পরিবহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁদের আটকে রেখে টাকা আদায় করা হচ্ছে। এমনকি রাতের বেলায় এই টাকার দাবি দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ডিবুডিহ চেকপোস্টে চলতে থাকা এই অবৈধ আদায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা জোরদার আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিও ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্তে চলতে থাকা এই অবৈধ আদায়ের বিরুদ্ধে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কাছেও বিষয়টি তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সূত্রের

এডিপিসিতে বড় রদবদলওসি ও ফাঁড়ি প্রভারীসহ ১৮ পুলিশ আধিকারিকের বদলি

পাবলিক নিউজঃ আলোক চক্রবর্তী পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল, ১৩ ফেব্রুয়ারি: আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট (এডিপিসি)-তে বড় প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি হওয়া আদেশ (সিও নং ৬৬৮/২০২৬) অনুযায়ী মোট ১৮ জন পুলিশ আধিকারিকের বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিককে অবিলম্বে তাঁদের নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বদলির তালিকা
১) এসআই শেখ রিয়াজউদ্দিন — এনটিএস থানা থেকে অন্ডাল থানা
২) এসআই অভিজিৎ সিংহ রায় — অন্ডাল থানা থেকে এনটিএস থানা
৩) এসআই সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায় — হিরাপুর থানা থেকে আসানসোল নর্থ থানা
৪) এসআই কর্তার সিং — আসানসোল নর্থ থানা থেকে হিরাপুর থানা
৫) এসআই মদন মোহন দত্ত — জাহাঙ্গিরি মহল্লা টিওপি থেকে কেন্দা পিপি
৬) এসআই মিহির কুমার দে — কেন্দা পিপি থেকে নিয়ামতপুর আইসি
৭) এসআই এমডি মাইনুল হক — পাঞ্জাবি মোড় আইসি থেকে বরাকর পিপি
৮) এসআই মেঘনাথ মণ্ডল — বরাকর পিপি থেকে কান্যাপুর আইসি
৯) এসআই বুদ্ধদেব গাইন — নিমচা আইসি থেকে চুরুলিয়া ওপি
১০) এসআই পরিমল বিশ্বাস — নিয়ামতপুর আইসি থেকে ওয়ারিয়া আইসি
১১) এসআই নজমুল হুদা — কল্যাণেশ্বরী আইসি থেকে পাঞ্জাবি মোড় আইসি
১২) এসআই সৈদাত্য বন্দ্যোপাধ্যায় — ফরিদপুর আইসি থেকে উখড়া ওপি
১৩) এলএসআই নাসরিন সুলতানা — বল্লভপুর ওপি থেকে নিমচা আইসি
১৪) এলএসআই শিউলি মণ্ডল — কান্যাপুর আইসি থেকে কল্যাণেশ্বরী আইসি
১৫) এসআই উজ্জ্বল কুমার সাহা — ওয়ারিয়া আইসি থেকে জাহাঙ্গিরি মহল্লা টিওপি
১৬) এসআই পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী — চুরুলিয়া ওপি থেকে বল্লভপুর ওপি
১৭) এসআই স্নেহান্বিতা মণ্ডল — আসানসোল মহিলা থানা থেকে ডি সি পি সেন্ট্রাল দফতর
১৮) এসআই সুসিম সরকার — উখড়া ওপি থেকে ফরিদপুর আইসি
প্রশাসনের লক্ষ্য
পুলিশ প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও মজবুত করা, প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কাজের গতি বৃদ্ধি করতেই এই রদবদল করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ থানা ও ফাঁড়িতে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের নিয়োগের ফলে অপরাধ দমন ও জনসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কমিশনারের স্বাক্ষরে নির্দেশ জারি
এই বদলির নির্দেশে পুলিশ কমিশনার স্বাক্ষর করেছেন। আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ডিসিপি, এডিসিপি, এসিপি, ওসি এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিতে পাঠানো হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
পুলিশ প্রশাসনের মতে, এই রদবদলের ফলে আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে এবং সাধারণ মানুষ আরও কার্যকর পুলিশ পরিষেবা পাবেন।

কানকধারা উদ্যোগে “মহিলাদের জন্য আইনগত সহায়তা” বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনারজেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষ ও ওয়ান স্টপ সেন্টারের বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য


পাবলিক নিউজঃ মনোজ শর্মা পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল: কানকধারা সংস্থার উদ্যোগে হোটেল অ্যাভোয়ারে “মহিলাদের জন্য আইনগত সহায়তা” বিষয়ক এক জ্ঞানগর্ভ ও সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল মহিলাদের তাঁদের আইনগত অধিকার, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়া এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন আম্রপালি চক্রবর্তী , সচিব, ডিসটিক লিগাল সার্ভিস অথরিটি , পশ্চিম বর্ধমান। একজন বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান, জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও প্রয়োজনীয় মহিলাদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, মধ্যস্থতার মতো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতির মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধ দ্রুত, সহজ এবং কার্যকরভাবে মেটানো সম্ভব।
তিনি মহিলাদের তাঁদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং যে কোনও আইনি সমস্যায় নির্ভয়ে এগিয়ে এসে সহায়তা গ্রহণের অনুরোধ করেন।
দ্বিতীয় বক্তা Arpita Saha, কেস ওয়ার্কার, One Stop Center, পশ্চিম বর্ধমান, মহিলা ও শিশু নির্যাতিতদের জন্য উপলব্ধ পরিষেবাগুলির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়ান স্টপ সেন্টারে সহিংসতার শিকার মহিলা ও শিশুদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা সহায়তা এবং আইনি সহযোগিতা এক ছাদের নিচে প্রদান করা হয়, যাতে তারা দ্রুত ও সামগ্রিক সহায়তা পেতে পারেন।
সেমিনারে কানকধারার সভাপতি পূজা উপাধ্যায়, সম্পাদক সোনিয়া পাচিসিয়া সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মারোয়ারি মহিলা সমিতির সভাপতি সোনাল গাড়িওয়ান ও তাঁর সহকর্মীরা এবং গুজরাটি মহিলা সমিতির সভাপতি বিন্দু উপাধ্যায় ও সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সকলেই এই উদ্যোগের প্রশংসা করে একে মহিলাদের ক্ষমতায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত মহিলারা বিভিন্ন আইনি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যার উত্তর বিশেষজ্ঞরা বিস্তারিতভাবে প্রদান করেন। কানকধারার এই উদ্যোগ সমাজে আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মহিলাদের আত্মনির্ভর ও স্বাবলম্বী করে তোলার ক্ষেত্রে এক তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

कनकधारा द्वारा “महिलाओं हेतु विधिक सहायता” विषय पर जागरूकता सेमिनार आयोजितजिला विधिक सेवा प्राधिकरण एवं वन स्टॉप सेंटर की विशेषज्ञों ने दी महत्वपूर्ण जानकारी

पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव पश्चिम बर्धमान आसनसोल, : कनकधारा संस्था द्वारा होटल अवोइर में “महिलाओं हेतु विधिक सहायता” विषय पर एक ज्ञानवर्धक एवं जागरूकता से भरपूर सेमिनार का आयोजन किया गया। कार्यक्रम का मुख्य उद्देश्य महिलाओं को उनके विधिक अधिकारों, निःशुल्क कानूनी सहायता प्राप्त करने की प्रक्रिया तथा वैकल्पिक विवाद निपटान तंत्र की जानकारी प्रदान करना था।
कार्यक्रम की मुख्य वक्ता श्रीमती अम्रपाली चक्रवर्ती, सचिव, जिला विधिक सेवा प्राधिकरण, पश्चिम बर्द्धमान रहीं। एक न्यायिक अधिकारी के रूप में उन्होंने अपने संबोधन में बताया कि जिला विधिक सेवा प्राधिकरण के माध्यम से जरूरतमंद महिलाओं को निःशुल्क विधिक सहायता उपलब्ध कराई जाती है। उन्होंने कहा कि मध्यस्थता जैसे वैकल्पिक विवाद निपटान तंत्र के जरिए पारिवारिक और सामाजिक विवादों का सरल, शीघ्र एवं प्रभावी समाधान संभव है।
उन्होंने महिलाओं से अपने अधिकारों के प्रति सजग रहने तथा किसी भी प्रकार की कानूनी समस्या होने पर निःसंकोच आगे आकर सहायता लेने का आह्वान किया।
द्वितीय वक्ता श्रीमती अर्पिता साहा, केस वर्कर, वन स्टॉप सेंटर, पश्चिम बर्द्धमान ने महिला एवं बाल पीड़ितों के लिए उपलब्ध सेवाओं की विस्तृत जानकारी दी। उन्होंने बताया कि वन स्टॉप सेंटर में हिंसा से पीड़ित महिलाओं और बच्चों को अस्थायी आश्रय, काउंसलिंग, चिकित्सीय सहायता तथा कानूनी सहयोग एक ही स्थान पर उपलब्ध कराया जाता है, जिससे उन्हें त्वरित एवं समग्र सहायता मिल सके।
सेमिनार में कनकधारा की अध्यक्ष पूजा उपाध्याय, सचिव सोनिया पचीसिया एवं अन्य सदस्य उपस्थित रहे। इसके अतिरिक्त मारवाड़ी महिला समिति की अध्यक्ष सोनल गाड़ीवान एवं उनकी टीम, साथ ही गुजराती महिला समिति की अध्यक्ष बिंदु उपाध्याय एवं सदस्यगण भी कार्यक्रम में शामिल हुए। सभी ने इस पहल की सराहना करते हुए इसे महिलाओं के सशक्तिकरण की दिशा में एक महत्वपूर्ण कदम बताया।
कार्यक्रम के अंत में उपस्थित महिलाओं ने विभिन्न कानूनी विषयों पर अपने प्रश्न रखे, जिनका विशेषज्ञों द्वारा संतोषजनक समाधान किया गया। कनकधारा की इस पहल को समाज में विधिक जागरूकता बढ़ाने और महिलाओं को आत्मनिर्भर एवं सशक्त बनाने की दिशा में एक सार्थक प्रयास माना जा रहा

एडीपीसी में बड़ा प्रशासनिक फेरबदलथानेदारों और फांड़ी प्रभारियों समेत 18 पुलिस अधिकारियों का तबादला

पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव पश्चिम बर्धमान आसनसोल:
आसनसोल–दुर्गापुर पुलिस कमिश्नरेट (ADPC) में बड़ा प्रशासनिक फेरबदल किया गया है। 13 फरवरी 2026 को जारी आदेश (सीओ नं. 668/2026) के तहत कुल 18 पुलिस अधिकारियों का तबादला किया गया है। यह आदेश सार्वजनिक हित और प्रशासनिक कार्यों को सुचारू रूप से संचालित करने के उद्देश्य से जारी किया गया है। सभी संबंधित अधिकारियों को तत्काल प्रभाव से अपने नए कार्यस्थल पर योगदान देने का निर्देश दिया गया है।
तबादले की प्रमुख सूची
एसआई शेख रियाज उद्दीन – एनटीएस थाना से अंडाल थाना
एसआई अविजीत सिंघा राय – अंडाल थाना से एनटीएस थाना
एसआई सौमेन बंद्योपाध्याय – हिरापुर थाना से आसनसोल नॉर्थ थाना
एसआई करतार सिंह – आसनसोल नॉर्थ थाना से हिरापुर थाना
एसआई मदन मोहन दत्ता – जहांगिरी मोहल्ला टीओपी से केंदा पीपी
एसआई मिहिर कुमार डे – केंदा पीपी से नियामतपुर आईसी
एसआई एमडी मैनुल हक – पंजाबी मोड़ आईसी से बराकर पीपी
एसआई मेघनाथ मंडल – बराकर पीपी से कन्यापुर आईसी
एसआई बुद्धदेव गैन – निमचा आईसी से चुरुलिया ओपी
एसआई परिमल बिस्वास – नियामतपुर आईसी से वारिया आईसी
एसआई नजमुल हुडा – कल्याणेश्वरी आईसी से पंजाबी मोड़ आईसी
एसआई सैदात्य बनर्जी – फरीदपुर आईसी से उखड़ा ओपी
एलएसआई नसरिन सुल्ताना – बल्लवपुर ओपी से निमचा आईसी
एलएसआई शिउली मंडल – कन्यापुर आईसी से कल्याणेश्वरी आईसी
एसआई उज्ज्वल कुमार साहा – वारिया आईसी से जहांगिरी मोहल्ला टीओपी
एसआई पार्थ प्रतिम चक्रवर्ती – चुरुलिया ओपी से बल्लवपुर ओपी
एसआई स्नेहन्विता मंडल – आसनसोल महिला थाना से डीसीपी सेंट्रल कार्यालय
एसआई सुसिम सरकार – उखड़ा ओपी से फरीदपुर आईसी
प्रशासन का उद्देश्य
पुलिस सूत्रों के अनुसार, यह तबादला क्षेत्र में कानून-व्यवस्था को और मजबूत करने, प्रशासनिक संतुलन बनाए रखने तथा कार्यकुशलता बढ़ाने के उद्देश्य से किया गया है। विभिन्न थानों और पुलिस चौकियों में अनुभवी अधिकारियों की नियुक्ति से अपराध नियंत्रण और जनसेवा में सुधार की उम्मीद जताई जा रही है।
आदेश पर हस्ताक्षर
यह आदेश आसनसोल–दुर्गापुर के पुलिस आयुक्त द्वारा हस्ताक्षरित है। इसकी प्रतिलिपि सभी डीसीपी, एडीसीपी, एसीपी, थाना प्रभारियों और संबंधित अधिकारियों को आवश्यक कार्रवाई के लिए भेज दी गई है।
पुलिस प्रशासन का मानना है कि इस फेरबदल से क्षेत्र की सुरक्षा व्यवस्था और अधिक सुदृढ़ होगी तथा आम जनता को बेहतर पुलिस सेवा उपलब्ध कराई जा सकेगी।

आसनसोल में मेडिकल वैन के जरिए स्वास्थ्य सेवामंत्री मलय घटक की पहल पर वार्ड-वार्ड पहुंच रही ‘मिनी हॉस्पिटल’ सुविधा

पब्लिक न्यूज बिनु श्रीवास्तव पश्चिम बर्धमान आसनसोल:
आसनसोल उत्तर के विधायक एवं राज्य के मंत्री मलय घटक की पहल पर विभिन्न वार्डों में एक अत्याधुनिक मेडिकल वैन चलाई जा रही है। यह मेडिकल वैन एक मिनी हॉस्पिटल की तरह है, जिसमें आंख, कान, नाक, दांत के विशेषज्ञों के साथ जनरल फिजिशियन की सुविधा उपलब्ध है। इसके अलावा वैन में ही ब्लड टेस्ट, ईसीजी और एक्स-रे जैसी जांच की व्यवस्था भी की गई है।
आज आसनसोल नगर निगम के 29 नंबर वार्ड अंतर्गत रेलपार धधका इलाके के रेलवे क्वार्टर कॉलोनी में इस मेडिकल वैन के माध्यम से स्वास्थ्य शिविर आयोजित किया गया। शिविर में बड़ी संख्या में स्थानीय लोग पहुंचे, जहां उनकी स्वास्थ्य जांच की गई और जरूरतमंदों को दवाइयां भी उपलब्ध कराई गईं।
29 नंबर वार्ड के टीएमसी अध्यक्ष दिनेश श्रीवास्तव ने बताया कि मंत्री मलय घटक के सौजन्य से यह मेडिकल वैन विभिन्न वार्डों में जाकर लोगों को स्वास्थ्य सुविधाएं प्रदान कर रही है। उन्होंने कहा कि यहां आंखों, हृदय, दांत और सामान्य रोगों की जांच की जा रही है। साथ ही कई प्रकार के ब्लड टेस्ट कर तुरंत रिपोर्ट भी दी जा रही है। जरूरत पड़ने पर मरीजों को दवा भी उपलब्ध कराई जा रही है।
उन्होंने मंत्री के प्रति आभार जताते हुए कहा कि आर्थिक रूप से कमजोर लोगों के लिए यह सेवा किसी वरदान से कम नहीं है।
वहीं मेडिकल वैन में मौजूद चिकित्सक डॉ. मिलन बेरा ने बताया कि वैन में लोगों को संपूर्ण स्वास्थ्य सुविधाएं दी जा रही हैं। आंख, दांत और सामान्य रोगों की जांच के साथ-साथ ब्लड टेस्ट भी किए जा रहे हैं। इनमें शुगर, लिपिड प्रोफाइल, ईसीजी, यूरिया और क्रिएटिनिन सहित कई महत्वपूर्ण जांच शामिल हैं। जरूरतमंद मरीजों को मौके पर ही परामर्श और दवाइयां दी जा रही हैं।

सड़क दुर्घटना में बुजुर्ग बाल-बाल बचेट्रक की टक्कर से मोटरसाइकिल क्षतिग्रस्त, पुलिस ने वाहन किया जब्त

पब्लिक न्यूज भरत पासवान पश्चिम बर्धमान आसनसोल:
आसनसोल उत्तर थाना अंतर्गत कन्यापुर फांड़ी क्षेत्र के पांचगछिया जूबली मोड़ जाने वाली सड़क पर एक सड़क दुर्घटना में एक बुजुर्ग व्यक्ति बाल-बाल बच गए।
जानकारी के अनुसार, मानिक मंडल पांचगछिया से मोटरसाइकिल पर सवार होकर गारुई गांव लौट रहे थे। इसी दौरान पीछे से आ रहे एक ट्रक ने उनकी मोटरसाइकिल को जोरदार टक्कर मार दी। टक्कर लगते ही वह सड़क पर गिर पड़े, लेकिन सौभाग्यवश किसी बड़ी अनहोनी से बच गए।
घटना की सूचना मिलते ही कन्यापुर फांड़ी पुलिस और नॉर्थ ट्रैफिक पुलिस मौके पर पहुंची। पुलिस ने दुर्घटनाग्रस्त ट्रक को जब्त कर लिया है। मामले की जांच जारी है।

দুর্গাপুরে বেসরকারি হাসপাতালের নার্সের রহস্য মৃত্যু / আবাসনের বাইরে দেহ উদ্ধার………….. দুর্গাপুর, ১২ ফেব্রুয়ারিঃ

পশ্চিম বর্ধমানের দূর্গাপুর:- দুর্গাপুরে মলানদিঘির একটি বেসরকারি  হাসপাতালের নার্সের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য কাঁকসা জুড়ে । মৃত নার্সের নাম মন্দিরা পাল। বুধবার রাতের এই ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপালপুরের এক বেসরকারি বি এড কলেজের সামনে এক বহুতল আবাসনে গত একবছর ধরে ঐ বেসরকারি হাসপাতালের নার্সিং স্টাফেরা ভাড়া থাকতেন । প্রায় ৪০ জন নার্সিং স্টাফ ভাড়া থাকতেন ঐ আবাসনে ।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় নাইট শিফট ডিউটি যাওয়ার জন্য বহুতল আবাসনের সামনে হাসপাতালের বাস এসে দাঁড়ায় । কিন্তু মন্দিরা পাল সেই বাসে আসেননি। তার খোঁজ না পাওয়ায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয় । বেশ কিছুক্ষণ পরে মন্দিরা পালের দেহ উদ্ধার হয় বহুতল আবাসনের পাঁচিলের বাইরে পড়ে থাকতে দেখা যায় । স্বাভাবিক ভাবেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কাঁকসা থানার পুলিশ আসে। পুলিশ  দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় । এই নার্সিং স্টাফের বাড়ি বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপু্রে বলে জানা গেছে ।
এই ঘটনার পরে বেশ রহস্য ঘনাচ্ছে । ১২ তলা এই বহুতল আবাসনে কি নার্সিং স্টাফেদের নিরাপত্তা সঠিক ছিল? নাকি ঢিলেঢালা ছিল ?
তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।  সুত্রের খবর এই বহুতল আবাসনের ছাদের দরজা খোলা থাকতো । নজরদারি সেভাবে ছিল না ।  কিভাবে ঐ নার্স ছাদে গেলো ও লাফ দিল? নাকি অন্য কোন ঘটনা এর পেছনে আছে।  তার সহকর্মীরা কি বুঝতে পারেননি ? নাইট ডিউটি যাওয়ার আগে কি এমন ঘটেছিল বা গত কয়েকদিন কি হয়েছিল  ঐ নার্সের সঙ্গে।
সবাই মুখে কুলুপ এঁটেছে । কিন্তু প্রশ্ন আসছে এরকম বহুতল আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা ছিল তা কি কতৃপক্ষ জানতো না ? নাকি নজর দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করে নি হাসপাতাল মালিকপক্ষ ? আত্মহত্যা নাকি খুন সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠছে ? পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে । পুলিশ তদন্তে কি উঠে আসে সেটাই এখন দেখার । যদিও অনেকেই মনে করছেন এটি নিছক আত্মহত্যা।  তার কারন কি তা সময় বলতে পারবে। যা অবশ্যই পুলিশের তদন্তের পরেই । তবে বিভিন্ন হাসপাতাল কতৃপক্ষের ঢিলেঢালা মনোভাব কিন্তু বারবার  নানান ঘটনা ঘটছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের ।
পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। রাতেই বাড়ির লোকেরা এসে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। তার রিপোর্ট ও পরিবার কোন অভিযোগ দায়ের করলে, তা খতিয়ে দেখা হবে।

আসানসোল প্রগতি ও বিএন ঘাঁটির যৌথ উদ্যোগে ১৪ তম রক্তদান শিবির……… আসানসোল, ১২ ফেব্রুয়ারিঃ

পাবলিক নিউজঃ আসানসোল,,:- আসানসোল জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের অভাবের কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার আসানসোলের রবীন্দ্র ভবন প্রাঙ্গণে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ” আসানসোল প্রগতি ” ও শহরের অন্যতম নামী ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ” বি এন ঘাঁটি” র যৌথ উদ্যোগে বার্ণপুর ভলেন্ট্রি ব্লাড ডোনার্স এর সহযোগিতায় একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই রক্তদান শিবিরে আসানসোল প্রগতির সকল সদস্যর পাশাপাশি ঘাঁটি পরিবারের সদস্য সৌমিত্র ঘাঁটি, সোমনাথ ঘাঁটি ও সুমন্ত ঘাঁটি উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও আসানসোল পুরনিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় , রানিগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দোপাধ্যায় , আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি স্বামী সৌম্যমানন্দজি মহারাজ, ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক, শচীন রায়, ডাঃ দিলীপ দত্ত, ডাঃ ডিপি রায় চৌধুরী ও রক্তদান আন্দোলনের নেতা প্রবীর ধর সহ সমাজের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিনের এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদেরকে সংগঠনের সদস্য পিন্টু ভট্টাচার্য বলেন, আসানসোল প্রগতি প্রতি বছর রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে আসছে। এদিনের রক্তদান শিবিরে ৮৯ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আসানসোল প্রগতি এত বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করে আসছে। এটি আসানসোল প্রগতির ১৪তম রক্তদান শিবির। এদিন প্রদীপ জ্বালিয়ে রক্তদান শিবিরের সূচনা করা হয়েছে। এরপর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এদিন তিনজনকে চিকিৎসার জন্য সংগঠনের তরপে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। দুজনকে ২৫ ও একজনকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও একজনকে হুইল চেয়ার দেওয়া হয়েছে। বার্নপুর ভলেন্টিয়ার ব্লাড ডোনার্স এ্যাসোসিয়েশনের প্রবীর ধর এদিনের রক্তদান শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বলেন, আসানসোল প্রগতি এই ধরণের অনেক সামাজিক কাজ করে।
আসানসোলে প্রগতির প্রশংসা করতে গিয়ে রানিগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দোপাধ্যায় বলেন, এই সংগঠনের সদস্যরা কেবল আনুষ্ঠানিকতার জন্য সামাজিক কাজ করেন না, তারা সমাজের উন্নতির আবেগ নিয়ে কাজ করেন। কেবল রক্তদান শিবিরই নয়, শীতকালে শীতবস্ত্র বিতরণ, আর্থিক সমস্যায় পড়া পড়ুয়াদেরকে সাহায্য করার কাজ আসানসোল প্রগতি করে থাকে। যার মাধ্যমে সমাজকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বলেন, যারা এই সংগঠনে আছেন, তারা নিজেদের প্রচারের জন্য যোগদান করেননি। তারা সমাজে অবদান রাখার জন্য যোগদান করেছেন। তারা চান যে সমাজ থেকে এত কিছু পেয়েছেন, এখন তাদের দায়িত্ব সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া।

আসানসোলে মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে ব্রহ্মা কুমারীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা১২তম জ্যোতির্লিঙ্গ মিলন উৎসবকে ঘিরে ধর্মীয় আবহআসানসোল, ১২ ফেব্রুয়ারি

পাবলিক নিউজঃ পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল: মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে প্রজাপিতা ব্রহ্মা কুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আসানসোলে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। ১২তম জ্যোতির্লিঙ্গ মিলন উৎসব উদযাপনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার মহিশীলা কলোনি থেকে এই বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়। শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে শোভাযাত্রাটি শ্রীপুরে গিয়ে শেষ হয়।
উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে সুনীতা দেবী জানান, প্রতি বছরের মতো এবছরও মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। শ্রীপুরে তিন দিনব্যাপী “১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ মিলন উৎসব” ও দর্শন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ভক্তদের জন্য বিশেষ আধ্যাত্মিক কর্মসূচি রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শোভাযাত্রাটি পুনরায় আসানসোল কেন্দ্রে ফিরে আসবে। সেদিন মহাশিবরাত্রি উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতীকীভাবে কেক কেটে উৎসব পালন করা হবে।
মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে এই শোভাযাত্রা ও উৎসবকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। শহরে ধর্মীয় আবহে দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।