Facebook 0 Twitter 0 WhatsApp Print 0Shares পাবলিক নিউজঃ আসানসোল:– মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে গত চারদিন ধরে অনবরত জল ছাড়ায় বাংলার বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ও কবলিত এলাকার মানুষদের দূর্ভোগের জন্য বুধবার ও বৃহস্পতিবার পরপর দুদিন ডিভিসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আগামী তিনদিন বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত সিল করার বৃহস্পতিবার দুপুরেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিকেলের পর পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের কুলটির ডুবুরডিহি চেকপোষ্টে বাংলা ও ঝাড়খন্ড বোর্ডার সিল করলো আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ। এই প্রসঙ্গে আসানসোলে সাংবাদিকদের ডিসিপি ( সদর) অরবিন্দ কুমার আনন্দ এদিন সন্ধ্যায় বলেন, একটি আগে রাজ্য সরকারের তরফে একটা নির্দেশ এসেছে। তাতে আগামী তিনদিনের জন্য বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দুই রাজ্যের সীমান্তে ডুবুরডিহি চেকপোস্টে ডিসিপি ( ট্রাফিক) আছেন। তিনি গোটা বিষয়টি তদারকি করছেন। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ঐ চেকপোস্টে নাকা চেকিং করে নজরদারি চালানো হবে। এদিকে এদিন সন্ধ্যায় ডুবুরডিহি চেকপোস্টে গিয়ে দেখা গেলো পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা সেখানে আছেন। পুরো জাতীয় সড়কে লোহার গার্ডরেল দেওয়া হয়েছে। ঝাড়খন্ডের দিক থেকে আসা সব ধরনের বড় গাড়ি আটকানো হচ্ছে। তাদেরকে বাংলায় ঢুকতে না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে ছোট ব্যক্তিগত গাড়িকে আটকানো হচ্ছে না।বাংলায় ঢুকতে না পারা ভিন রাজ্য থেকে আসা দুটি ট্রাকের চালক মনিরুল শেখ ও নীরজ কুমার শর্মা বলেন, বিহারের মুঙ্গের ও রাজস্থানের জয়পুর থেকে কলকাতা ও মেদিনীপুর যাচ্ছিলাম। কিন্তু এখানে এই চেকপোস্টে আমাদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, বাংলায় বন্যা হয়েছে। তাই ফিরে যাচ্ছি। Facebook 0 Twitter 0 WhatsApp Print 0Shares Post navigation দক্ষিণবঙ্গের বনিকসভা ” ফসবেকি ” র উদ্যোগে শিল্প ভিত্তিক সেমিনারের আয়োজন/ দেওয়া হলো ” বঙ্গ রত্ন ও দক্ষিণবঙ্গ রত্ন ” পুরষ্কার দূর্গাপূজার আগে বিশেষ বোর্ড মিটিংয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।