রানীগঞ্জের বড়দই এলাকায় গজিয়ে ওঠা প্রায় আটটি অবৈধ কয়লা খনিমুখে কয়লা তোলার আগেই সেই সকল কয়লা খনির মুখগুলিকে ভরাট করে দিতে তৎপর হলো ADPC রানীগঞ্জ থানার

পাবলিক নিউজঃ অলোক চক্রবর্তী রানীগঞ্জ :– রানীগঞ্জের বড়দই এলাকায় গজিয়ে ওঠা প্রায় আটটি অবৈধ কয়লা খনিমুখে কয়লা তোলার আগেই সেই সকল কয়লা খনির মুখগুলিকে ভরাট করে দিতে তৎপর হলো আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের রানীগঞ্জ থানার পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির পুলিশ। কয়েকদিন আগেই বড়দই এলাকার মানুষজনদের কাছে এলাকায় অবৈধ কয়লা খনি গজিয়ে উঠছে, এই অভিযোগ পেয়েছিল পুলিশ এবার সেই সকল কয়লা খনি মুখ গুলিকে ভরাট করে দিতে উদ্যোগ গ্রহণ করল রানীগঞ্জ থানার পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির পুলিশ। স্থানীয় এলাকার মানুষ জানান এরূপভাবে অবৈধ কয়লা খাদান গজিয়ে উঠেছে বলেই দাবি করেছিল, সেই সব বিষয়গুলি পুলিশ প্রশাসন লক্ষ্য করে এবার কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করল আজ সকাল থেকেই এলাকায় একটির পর একটি কয়লা খাদান ভরাট করতে তৎপর হয়েছে পুলিশ। এ মুহূর্তে চলছে জোর কদমে খাদান ভরাটের কাজ। এ মুহূর্তে খাদান ভরাট করতে হাজির হয়েছেন রানীগঞ্জ থানার পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসি করতার সিং সঙ্গে উপস্থিত হয়েছেন সাব-ইন্সপেক্টর কুন্তল হালদার। তারা এদিন ১টির পর একটি কয়লা খাদান ভরাট করতে শুরু করেছেন। পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে কোন অবৈধ কাজ বরদাস্ত করা হবে না। কোনরূপ কোন অভিযোগ পেলেই কড়া হাতে মোকাবেলা করা হবে। এদিন এই অবৈধ খাদান গুলি ভরাট করতে পুলিশ প্রশাসন তৎপর হলেও ই সি এল কর্তৃপক্ষের কোথাও কোন দেখা মেলেনি।

এবার আসানসোলে গ্রেফতার হলেন ব্যবসায়ী দীনেশ গড়াই। শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ।

পাবলিক নিউজঃ অলোক চক্রবর্তী আসানসোল:– এবার আসানসোলে গ্রেফতার হলেন ব্যবসায়ী দীনেশ গড়াই। শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার সকালে তাকে আসানসোল আদালতে পুলিশের তরফে পেশ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশের লাগাতার তৎপরতায় আসানসোল দূর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে শোরগোল পড়েছে । জানা গেছে, বৈধর পাশাপাশি একাধিক অবৈধ ব্যবসায় জড়িত এই দীনেশ গড়াই। ঠিক কোন অভিযোগ ও মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হলো, তা অবশ্য পুলিশ বিস্তারিত ভাবে জানায়নি ।
দীনেশ গড়াই জানা গেছে, আসানসোলের উত্তর থানা এলাকার বাসিন্দা এই দীনেশ গড়াইয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে জমি থেকে শুরু করে অন্যান্য ব্যবসা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। তিনি অনেক বড় মাপের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার ঘনিষ্ঠও বটে।
সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর, দুর্গাপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই নেতা, তারপরে পুকুর ভরাটের অভিযোগেআসানসোলে উইলসন গ্রেফতার হওয়ার পরে, এবার দীনেশ গড়াই। স্বাভাবিক ভাবেই এখন প্রশ্ন উঠছে, এবার কার পালা? কারে এবার গ্রেফতার করার জন্য পরিকল্পনা নিচ্ছে পুলিশ।

हीरापुर थाना अंतर्गत बर्नपुर के धरमपुर में अपने ससुराल में रहने वाले धमु बाउरी का शव बरामद होने से सनसनी फैल गई।

पब्लिक न्यूज़ आसनसोल :–हीरापुर थाना अंतर्गत बर्नपुर के धरमपुर में अपने ससुराल में रहने वाले धमु बाउरी का शव बरामद होने से सनसनी फैल गई। घटना के बारे में मृतक के भाई विकास बाउरी ने कहा कि उनके भाई पिछले दो सालों से धरमपुर में अपने ससुराल में रहते आए हैं। उनका अपना घर पुरुलिया जिले के सेनाड़ा गांव में है लेकिन वह अपनी पत्नी और संतान के साथ अपने ससुराल में ही रहते थे। आज धरमपुर में रहने वाले उनके एक रिश्तेदार ने फोन किया कि उनके भाई की मौत हो गई है। खबर सुनकर वह आए तो देखा कि उनके भाई की मौत हो चुकी है पुलिस ने लाश को अपने कब्जे में ले लिया है और शव का पोस्ट मार्टम किया जाएगा। विकास ने बताया कि उनको किसी पे शक नहीं है लेकिन उनको लग रहा है कि उनके भाई की हत्या की गई है। वहीं मृतक की भाभी ने बताया कि उनका घर पुरुलिया के सेनाड़ा में है लेकिन उनके देवर अपने ससुराल में रहते थे। ऐसे तो कोई अशांति नहीं थी लेकिन उनके देवर जब भी सेनाड़ा जाते थे तो कहते थे वह अपने घर आना चाहते हैं और वह अपने ससुराल में नहीं रहना चाहते। उन्होंने बताया कि पुलिस उनके देवर की पत्नी और पत्नी की मां को पूछताछ के लिए लेकर आई है

বার্নপুরে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ / শ্বশুরবাড়ির অদূরে রেললাইনের পাশ থেকে “ঘরজামাই”র রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ পরিবারের

পাবলিক নিউজঃ অলোক চক্রবর্তী আসানসোল:– শ্বশুরবাড়ির অদূরে রেল ব্রিজের কাছে রেললাইনের পাশ থেকে ” ঘরজামাই”র রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হলো। শনিবার সকালে আসানসোলের হিরাপুর থানার বার্নপুরের হারমাডি রেলব্রিজ সামনে রেললাইনের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃত যুবকের মাথা সহ গোটা শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃত যুবকের নাম ধামু ওরফে ধর্মদাস বাউরি (২৯)। তার বাড়ি পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর থানার সানরা গ্রামে। মৃত যুবকের দাদা গোপাল বাউরি সহ পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ধর্মদাস বাউরিকে খুন করা হয়েছে। তবে, কারা এই কাজ করতে পারে, তা নিয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। হিরাপুর থানার পুলিশ মৃত যুবকের স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এদিন দুপুরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে যুবকের মৃতদেহর ময়নাতদন্ত হয়। পুলিশের তরফে আপাততঃ এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পুরুলিয়ার যুবক ধামু ওরফে ধর্মদাস বাউরি গত দুবছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আসানসোলের হিরাপুর থানার বার্নপুরে রাঙ্গাপাড়ার ধরমপুরে শ্বশুরবাড়িতে ” ঘরজামাই ” হয়ে থাকতো। মাঝেমধ্যে সে পুরুলিয়ায় নিজের বাড়িতে যেতো। কালি পুজোর সে শেষবার পুরুলিয়ার বাড়িতে গেছিলো। শনিবার সকালে ধরমপুরের অদূরে হারমাডি রেল ব্রিজের কাছে রেললাইনের পাশে ঐ যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। স্বাভাবিক ভাবেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মৃত যুবকের দাদা গোপাল বাউরি সহ পরিবারের সদস্যরা আসেন। হিরাপুর থানার পুলিশ এলাকায় আসে। পরে তদন্তে আসেন আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশের এসিপি ( হিরাপুর) ঈপ্সিতা দত্ত সহ অন্য পুলিশ আধিকারিকরা। তারা মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া জায়গা ও তার আশপাশ ঘুরে দেখেন।
এই প্রসঙ্গে মৃত যুবকের দাদা ও পরিবারের সদস্যরা বলেন, শ্বশুরবাড়িতে ধামুর পারিবারিক কারণে অশান্তি হয়েছিলো। তারপর সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এদিন সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় রেললাইনের পাশ থেকে। তাদের দাবি, তাকে খুন করা হয়েছে।
গোটা ঘটনা নিয়ে পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, মৃত যুবকের স্ত্রী ও শাশুড়িকে জেরা করা হচ্ছে। মৃতদেহর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। মৃত যুবকের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে জানা যাবে ঠিক কি কারনে যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হলে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারীর পরে আসানসোলে পুরনিগমের পুকুর ভরাটের অভিযোগে গ্রেফতার জমি মাফিয়া ৭ দিনের রিমান্ড

পাবলিক নিউজঃ অলোক চক্রবর্তী আসানসোল:– মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারীর পরে আবারও বড় এ্যাকশানে নামলো আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। আসানসোলের উত্তর থানার পলাশডিহিতে পুকুর ভরাটের অভিযোগে এক জমি ব্যবসায়ী তথা প্রোমোটারকে গ্রেফতার করলো আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ। শুক্রবার রাতে গ্রেফতার ব্যক্তির নাম এথেসাম আজমি ওরফে উইলসন। ধৃতর বিরুদ্ধে পুলিশ ১৯৮৪ সালের মৎস্য আইনের ১৭এ(১) নং ধারায় মামলা করা হয়েছে। আসানসোল উত্তর থানা এলাকায় পুকুর ভরাটের জঅভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা এই ব্যক্তিকে শনিবার আসানসোল আদালতে হাজির করা হলে তদন্তের জন্য ধৃতকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য পুলিশ আবেদন করলে সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে আসানসোল পুরনিগমের কাছে অভিযোগ আসে যে, আসানসোলের পলাশডিহি এলাকায় একটি পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। সেই মতো আসানসোল পুরনিগম কতৃপক্ষ সেই অভিযোগ নিজেদের মতো করে তদন্ত করার পাশাপাশি আসানসোলের এসডিএল এন্ড এলআরও অফিসে বিস্তারিত জানতে চায়। সেইমতো ঐ পুকুর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সহ একটি রিপোর্ট এসডিএলএন্ডএলআরও অফিস আসানসোল পুরনিগমকে পাঠায়। তাতে বলা হয়, আসানসোল পুরনিগমে করা অভিযোগের সত্যতা আছে। ঐ পুকুরের মালিক হিসেবে এসডিএলএন্ডএলআরও অফিস থেকে মালিক হিসেবে শ্যামল কৃষ্ণ রায় ও তাপস নন্দীর নাম বলা হয়। সেইমতো, সাড়ে তিন মাস আগে গত ১৪ আগষ্ট আসানসোল পুরনিগমের ৫ নং বোরো অফিসের এ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন্দ্রজিৎ কোনার দুই মালিকের নাম পুকুর ভরাটের অভিযোগ আসানসোল উত্তর থানায় করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুই মালিকের নামে এফআইআর করে তদন্তে নামে। তারপর শুক্রবার সেই পুকুর ভরাটের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় জমি ব্যবসায়ী তথা প্রোমোটিংয়ের যুক্ত এথেসাম আজমি ওরফে উইলসন।
এই প্রসঙ্গে পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, তদন্তে দেখা গেছে অনেক আগেই পলাশডিহির বাসিন্দা পুকুরের দুই মালিক তাদের পুকুর বিক্রি করে দিয়েছেন। কপরে সেই পুকুর ভরাট করা হয়েছে। তাই আসানসোল কপুরনিগমের অভিযোগের ভিত্তিতে মুল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করে গোটা বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
বিশ্বস্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী ধৃত উইলসনের সঙ্গে একটি বড় রাজনৈতিক দলের বড় নেতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে এবং আসানসোল উত্তর থানা এলাকায় তার বিভিন্ন আবাসিক প্রকল্প করা হয়েছে। বিষয়টি শুধু মাত্র পুকুর ভরাট, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো গল্প আছে তা এখন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে, লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার এতদিন পরে পুলিশের সক্রিয়তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া বার্তা দিতেই কি পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে উঠলো।

आसनसोल दुर्गापुर पुलिस कमिश्नरेट के बाराबनी थाने के प्रभारी रहे मनोरंजन मंडल को सस्पेंड कर दिया गया है

पब्लिक न्यूज़ आसनसोल: –आसनसोल दुर्गापुर पुलिस कमिश्नरेट के बाराबनी थाने के प्रभारी रहे मनोरंजन मंडल को सस्पेंड कर दिया गया है उन्हें हाल ही में बाराबनी से अंडाल थाने का थानेदार बनाया गया था। लेकिन पदभार ग्रहण करने के पहले ही उन्हें निलंबित कर दिया गया है पुलिस कमिश्नर सुनील कुमार चौधरी ने  इससे संबंधित आदेश जारी किया है। इस कार्रवाई के बाद से पुलिस महकमा में हड़कंप मचा हुआ है। माना जा रहा है कि तृणमूल के ब्लॉक अध्यक्ष का जन्मदिन थाना में मनाए जाने वाले विवाद के कारण यह कार्रवाई हुई है राज्य के नेता प्रतिपक्ष सुवेंदु अधिकारी ने काली पूजा उद्घाटन के दौरान इस मुद्दे को उठाया था।
पुलिस कमिश्नर द्वारा जारी आदेश में कहा गया है पीआरबी खंड-I, 1943 के नियम संख्या 880/881 और डब्ल्यूबीएसआर भाग-I के नियम संख्या 71 के अनुसार, एसआई (यूबी) मनोरंजन मंडल, ओ/सी बाराबनी पीएस, एडीपीसी को 21.11.2024 अपराह्न से निलंबित किया जाता है, क्योंकि उनकी सेवा में बने रहना लोक सेवा के हित में प्रतिकूल है और उनके अव्यवसायिक आचरण और कर्तव्य के प्रति लापरवाही के लिए उनके आचरण की विभागीय जांच लंबित है।‌निलंबन की अवधि के दौरान वह अपने मूल वेतन का आधा हिस्सा और निलंबन के तहत सरकारी कर्मचारी को स्वीकार्य निर्वाह भत्ते की राशि पर निर्वाह भत्ते और महंगाई भत्ते के रूप में सामान्य भत्ते प्राप्त करेंगे। वह अपने सरकारी किट को कपड़ों की स्टोर पर रिजर्व पुलिस निरीक्षक, एडीपीसी के पास जमा करेंगे।  आसनसोल पुलिस लाइन्स में ही रहेंगे। कमिश्नरेट गठन के बाद पहली बार इस तरह की बड़ी कार्रवाई किसी पुलिस अधिकारी पर की गई है।

চুরি যাওয়া সোনার আংটির  সূত্র ধরে উদ্ধার হল এক গৃহস্থের পরিবারের চুরি যাওয়া সকল সামগ্রীর সাথেই নগদ অর্থ ও সোনা রুপোর বিশাল পরিমাণ গহনা।

পাবলিক নিউজঃ জাহিদ আনোয়ার রানীগঞ্জ :– চুরি যাওয়া সোনার আংটির  সূত্র ধরে উদ্ধার হল এক গৃহস্থের পরিবারের চুরি যাওয়া সকল সামগ্রীর সাথেই নগদ অর্থ ও সোনা রুপোর বিশাল পরিমাণ গহনা। শুক্রবার এমনই বিষয় লক্ষ্য করা গেল  আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের রানীগঞ্জ থানা এলাকায়। এই ঘটনায় চুরির ঘটনা সংঘটিত করার অপরাধে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় গত 14 ই নভেম্বর দুপুরে রাণীগঞ্জ থানার গির্জা পাড়া হলুদ ফ্যাক্টরি এলাকায় দীপক সিং নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বাড়ির সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে তিন দুষ্কৃতকারী বাড়ির পেছন দরজা ভেজানো অবস্থায় থাকার সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে সেই দরজা দিয়ে ঢুকেই বাড়ির আলমারির মধ্যে থাকা মূল্যবান সোনার রুপোর গহনা ও নগদ কিছু টাকা নিয়ে চম্পট দেয়।
১৪ তারিখ রাত্রেই এই বিষয়টি বাড়ির সদস্যরা লক্ষ্য করে পাড়া প্রতিবেশীদের সাথেই পুলিশ প্রশাসনকে চুরির ঘটনা সম্পর্কে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে দেয় দিকে দিকে নজরদারি চালানোর সাথেই এলাকার বিভিন্ন সোনার উপর গহনায় গহনা বিক্রি করতে এলে খবর দেওয়ার জন্য জানিয়ে দেওয়া হয়। আর এখানেই মেলে সফলতা কত ১৬ ই নভেম্বর এক সোনার গহনার দোকানে ওই দুষ্কৃতীদলেরই একজন গির্জা পাড়ারই বাসিন্দা বাদশা খান একজন মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে আংটির দোকানে আংটির উপর খোদাই করা দীপক নামকে পরিবর্তন করে আব্বাস বলে এক নাম লিখতে বললেই অলংকার দোকানের কারিগরের মনে সন্দেহ হয় আর তারপরেই পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে খবর গেলে পুলিশ দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় অভিযোগ দায়েরের পরই রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্তর নেতৃত্বে পিসি পার্টির বিশেষ দল সাব-ইন্সপেক্টর প্রীতম পাল, পিএসআই এমডি পারভেজ ও এস আই শ্রীকান্ত পাঞ্জা কে সঙ্গে নিয়ে, দিকে দিকে খোঁজ-তল্লাশির পর, অবশেষে এলাকার চারিপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার সূত্র ধরে, বাদশা খান কে চিনতে পারে।
পুলিশের কাছে এই বাদশা খান আগে থেকেই পরিচিত, নেশা গ্রস্ত এ বাদশা খান এর আগে প্রায় ১৪ টির মত মোটরবাইক চুরির ঘটনায় যুক্ত ছিল, তার সাথে বেশ কয়েক দফায় চুরির ঘটনাও সংঘটিত করেছে সে। আর এই ঘটনার সামনে আসার পরই, পুলিশ চারিদিকে তৎপর হয়ে খোঁজ তল্লাশির পর ১৯শে নভেম্বর রাত্রে এই বাদশা খানকে ও তার দুই সহযোগী হিসেবে থাকা অভিজিৎ গোন্ড ও অর্জুন পাশোয়ান কে অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে রেল গ্রাউন্ড এলাকায় নেশা করার সময়ে পাকড়াও করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার পুলিশ ধৃতদের  আসানসোল জেলা আদালতে হাজির করে, বিচারকের কাছে, তাদের আগামীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানালে, বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই পুলিশ ধৃত ওই তিন দুষ্কৃতকারী কে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত্রেই বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে চুরি যাওয়া সোনা, রুপোর গহনা ও নগদ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে। পুলিশের এই বিশেষ তৎপরতায় চুরি যাওয়া সকল সামগ্রী আবার ফিরে পেয়ে স্বভাবতই খুশি, দীপক সিং ও তার পরিবার পুলিশের এই বিশেষ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তারা।

তাদের দাবি পুলিশে অভিযোগ করার পর থেকেই পুলিশ সক্রিয়ভাবে তদন্ত করে, এই ঘটনার উপর নজর রেখে তাদের তাদের যে রূপভাবে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করতে তৎপর হলো তা সত্যিই প্রশংসনীয়, তাই পুলিশকে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শুক্রবার এই চুরির সামগ্রী উদ্ধার সহ ধৃত তিন দুষ্কৃতীকে এক সাংবাদিক বৈঠক করে সমস্ত বিষয় সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর  বিকাশ দত্ত, সঙ্গে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থেকে সমগ্র উদ্ধার কাজ চালানোর কাজে নিযুক্ত থাকা পুলিশ আধিকারিক সাব-ইন্সপেক্টর প্রীতম পাল, এ এস আই শ্রীকান্ত পাঞ্জা, ও পি এস আই এম ডি পারভেজকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে আগামীতে এই দুষ্কৃতকারীরা আরো কোনো ঘটনা সংঘটিত করেছিল কিনা তা নিয়েও চলবে জিজ্ঞাসাবাদ।

চেম্বারে স্কুল পড়ুয়াকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ / পকসো আইনে গ্রেফতার আসানসোলের চিকিৎসক, ১ দিনের পুলিশ রিমান্ড

পাবলিক নিউজঃ অলোক চক্রবর্তী আসানসোল:– চিকিৎসার সময় নিজের চেম্বারে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল পড়ুয়াকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন আসানসোলের পরিচিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রমন রাজ। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫ নভেম্বর।
স্কুল পড়ুয়ার পরিবারের লিখিত নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে আসানসোল মহিলা পুলিশ ঐ চিকিৎসককে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে আসানসোল মহিলা থানার পুলিশ বিএনএস বা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪(২) (সি), ৬৪/২/এফ, ৬৫(১) ও পকসো আইনের ৬ নং ধারায় একটি মামলায় করেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বছর ১৪ র ঐ স্কুল পড়ুয়াকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে আসানসোল মহিলা থানার পুলিশ। একই সঙ্গে এদিন আসানসোলের
এদিন পুলিশ ধৃত চিকিৎসক ডাঃ রমন রাজকে আসানসোল আদালতের পকসো কোর্টে পেশ করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। পকসো কোর্টের বিচারক ছুটিতে থাকায় এই মামলার শুনানি হয় পকসো কোর্টের দায়িত্বে থাকা এডিজে (২) তানিয়া ঘোষের এজলাসে। সওয়াল-জবাব শেষে আদালতের বিচারক চিকিৎসকের জামিন নাকচ করে একদিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
নামি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এই ধরনের একটি অভিযোগ উঠায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আসানসোল শিল্পাঞ্চল জুড়ে। শোরগোল পড়ে যায় চিকিৎসক মহলেও।
জানা গেছে, আসানসোলের বাসিন্দা ঐ নাবালিকা আসানসোলের এসবি গরাই রোডের একটি নামী গালস হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।
গত ১৫ নভেম্বর ঐ স্কুল পড়ুয়া আসানসোলের সেনরেল রোডের ওয়েষ্ট আপকার গার্ডেনে ডাঃ রমন রাজের চেম্বারে চিকিৎসা করাতে যায়। তখনই ঐ চিকিৎসক তার সঙ্গে যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ। পরে সে গোটা ঘটনার কথা বাড়িতে জানায়। স্কুল কতৃপক্ষকে গোটা বিষয়টি জানানো হয়। জানা গেছে, পরিবারের পাশাপাশি স্কুলের তরফেও আলাদা আলাদা করে মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এদিন এই প্রসঙ্গে আসানসোল আদালতের পকসো কোর্টের সরকারি আইনজীবী বা পিপি মিতা মজুমদার বলেন, চিকিৎসা করার সময় অভিযুক্ত চিকিৎসক ঐ স্কুল পড়ুয়ার সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করে। নির্যাতিতা বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের জানান। এরপর পরিবারের লোকজন অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরে আসানসোল মহিলা থানার পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করে। তিনি আরো বলেন, পুলিশের তরফে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে বিচারকের কাছে আবেদন করা হয়েছিলো। বিচারক তার জামিন নাকচ করে ১ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেন।
তবে ধৃত চিকিৎসক তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ নিয়ে এদিন আসানসোল আদালত থেকে বেরোনোর সময় কোন মন্তব্য করতে চাননি।

আসানসোল ও দূর্গাপুরের একাধিক থানার ওসি ও ফাঁড়ির ইনচার্জ বদল

পাবলিক নিউজঃ আসানসোল :– আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আসানসোল ও দূর্গাপুরের একাধিক থানার ওসি বা অফিসার ইনচার্জ এবং ফাঁড়ি বা আউটপোস্ট বা ওপির ইনচার্জ ( আইসি) বদল করা হলো। মঙ্গলবার বিকেলে আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের তরফে এই বদলি সংক্রান্ত একটি বিঞ্জপ্তি জারি করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে সবমিলিয়ে ১৮ এসআই বা সাব ইন্সপেক্টরকে বদলি করা হয়েছে। তারমধ্যে আছেন ৫ টি থানার ওসি ও ৮ টি ফাঁড়ি বা ওপির ইনচার্জ।
যেমন হিরাপুর থানার ওসি সৌমেন্দ্রনাথ সিংহ ঠাকুরকে জামুড়িয়া থানার ওসি করা হয়েছে। দিন কয়েক আগে জামুড়িয়া থানার ওসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায় ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হওয়ার তাকে অন্য জেলায় বদলি করা হয়েছে। একইভাবে বারাবনি থানার ওসি মনোরঞ্জন মন্ডলকে অন্ডাল থানার ওসি, অন্ডাল থানার ওসি তন্ময় রায়কে হিরাপুর থানার ওসি, দূর্গাপুরের এনটিএস থানার ওসি মানব ঘোষকে পান্ডবেশ্বর থানার ওসি, দূর্গাপুর মহিলা থানার ওসি শিউলি মন্ডলকে উখড়া ওপির ইনচার্জ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আসানসোল দক্ষিণ পিপির ইনচার্জ সঞ্জীব দেকে দূর্গাপুর থানার ওসি করা হয়েছে। দূর্গাপুর থানার ওসি প্রসেনজিৎ রায় ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হওয়ার তাকে ইতিমধ্যেই অন্য জেলায় বদলি করা হয়েছে।

कोलकाता नंबर की कार मे पुलिस लिखवाकर घूम रहे दो को पुलिस ने दबोचा

पब्लिक न्यूज आसनसोल आसनसोल:–, पश्चिम बंगाल आसनसोल बीएनआर स्थित कॉफी हॉउस गेट के सामने पुलिस लिखी हुई खड़ी एक होंडा सिटी कार जिसका नंबर Wb06h2077 है, उस कार पर आसनसोल साऊथ पुलिस फाड़ी की गस्ती दल की नजर पड़ी, जिसके बाद पुलिस ने कार चालक कपिल शर्मा पिता राजेंद्र शर्मा श्री पल्ली आसनसोल के रहने वाले व उसके साथ मौजूद सपनील शर्मा पिता रंजन कुमार शर्मा आसनसोल धधका के रहने वाले से कार मे लिखी पुलिस के संबंध मे पूछताछ शुरू कर दी इस पूछताछ के दौरान दोनों युवक पुलिस को सटीक जवाब नही दे पाए और ना ही कार मे लिखी पुलिस से सम्बंधित कोई जरुरी कागजात ही दे पाए, ऐसे मे पुलिस ने दोनों युवकों को अपने हिरासत मे ले लिया साथ ही कार को भी जब्त कर लिया और आसनसोल साऊथ पुलिस फाड़ी ले आए जहाँ दोनों युवकों से गहमी से पूछताछ चल रही है, सूत्रों की अगर माने तो पुलिस लिखी कार मे पकड़े गए दोनों युवक अक्सर आसनसोल रबिन्द्र भवन स्थित कॉफ़ी हॉउस करीबन दस से पंद्रह युवकों के साथ आते थे और घंटों मीटिंग करते थे, सूत्रों की अगर माने तो इन युवकों का एक बड़ा गिरोह है, जो गिरोह मीटिंग कर एक बड़ी योजना का प्लान बना रहे थे, ऐसे मे उनका प्लान क्या था क्या नही यह पुलिस जानने की कोसिस कर रही है, हालांकि पकड़े गए दोनों युवक मामले मे कुछ भी कहने से बचते रहे, पुलिस सूत्रों की अगर माने तो पकड़े गए कार की तमाम कागजात भी फेल है और किसी अंकिता अग्रवाल के नाम पर है, पुलिस सूत्रों से यह भी पता चला की कार चालक पिछले तीन सालों से पुलिस लिखा हुआ कार चला रहा था, इस दौरान ना तो उसने कार का कभी इन्सुरेंस करवाया और ना ही कार का फिटनेस या फिर पोलूसन पेपर ही बनवाया था और कार भी दूसरे के नाम पर चला रहा था, पुलिस मामले की गहमी से जाँच कर रही है और यह आशंका जताई जा रही है की मामले मे कुछ बड़ा खुलासा हो सकता है साथ ही और भी लोग पकड़े जा सकते हैं