0Shares

পাবলিক নিউজ আলোক চক্রবর্তী আসানসোল :– ভূগর্ভস্থ খনি ধস ও আগুনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের জন্য রানিগঞ্জ মাস্টার প্ল্যান পুনর্বাসন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে না। দীর্ঘ কয়েক বছর পার হলেও, এই প্রকল্পে দেরি বা বিলম্ব হচ্ছে। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের সচিবকে চিঠি লিখলেন আসানসোলের প্রাক্তন সাংসদ তথা সিটুর পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্পাদক বংশগোপাল চৌধুরী।
প্রাক্তন সাংসদ বংশগোল চৌধুরী কয়লা সচিবকে লেখা তার চিঠিতে বলেছেন, আশ্চর্যের বিষয় যে, দেশের প্রথম শ্রেণির কয়লা সরবরাহকারী সংস্থার আওতাধীন এই রানিগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রের মানুষ পুনর্বাসন প্রকল্পের সুবিধা থেকে পাওয়া থেকে বঞ্চিত। ভূগর্ভস্থে আগুন ও ধসে তলিয়ে যাওয়ার সমস্যার কারণে গোটা এলাকাটি মারাত্মক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদাহরণ হিসেবে প্রাক্তন সাংসদ বলেছেন সম্প্রতি, ইসিএলের কাজোড়া এরিয়ার খাস কাজোড়া কোলিয়ারি এলাকায় ধসের ঘটনা ঘটেছে। যে কারণে একটি বেসরকারি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্কুল ভবনের জমি ইসিএলের দখলে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে যে, রানিগঞ্জ মাস্টার প্ল্যান অনুমোদনের অনেক পরে তহবিল ( প্রায় ১১০০ কোটি টাকা) পাওয়ার পরেও পুনর্বাসন প্রকল্পে কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়। এটা শুধু রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়, এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। কারণ আসানসোল পুরনিগমের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাতটি ব্লক সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু বছরের পর বছর পার হয়ে যাওয়ার পর এর তহবিল এবং অগ্রগতি রিপোর্ট কেন্দ্রীয় কয়লা সচিব, ভারত সরকারের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ কমিটি দ্বারা পর্যালোচনা করা উচিত। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিব রাজ্য স্তরের কমিটির প্রধান পদে আছেন।
সাংসদ চিঠিতে লিখেছেন, আমি বিশ্বাস করি যে কোনো এক অজানা কারণে তহবিলের একটি বড় পরিমাণ ব্যবহার করা হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী এই পুনর্বাসন প্রকল্প শেষ করতে দীর্ঘ সময় লাগবে। এতে সরকারি কোষাগারের ক্ষতি হবে। তাই, আমি আপনাকে অনুরোধ করছি, এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাথে একটি হাই লেভেল বা উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করুন।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *