পাবলিক নিউজঃ আসানসোল :– রেল শহর চিত্তরঞ্জনের সবচেয়ে বড় মার্কেট আমলাদহি বাজারে আরো ১০৫ টি অনুমতিহীন বা বেআইনি ভাবে তৈরি হওয়া দোকান মঙ্গলবার ভেঙে দিল রেল প্রশাসন। এর আগে গত ২৮ নভেম্বর প্রথম পর্যায়ে এই বাজারেই ১৮৪ টি অনুমতিহীন দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছিল । তার আগে ফতেপুর এবং শিমজুড়ি এলাকায় একইভাবে অবৈধ দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয় রেলের তরফে। রেলের এই অভিযানে রেল শহরের জমজমাট বাজারের একটা চেনা ছবি চলে যেতে বসেছে। বাজারের ফলপট্টি, উপর বাজারের প্রধান অংশে একাধিক টেলারিং, কাপড়ের দোকান সহ অনেক ছোট দোকান ভাঙা পড়ছে। রেল প্রশাসন থেকে আগেই এইসব দোকান উচ্ছেদ করার নোটিশ জারি করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী অনেকেই তাদের দোকান থেকে জরুরী জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়েছেন। অনেক দোকানদার দোকানের বাড়িয়ে নেওয়া অংশ ভেঙে ফেলেছেন। তবুও এরপরেও কিছু ফুল ও ফলের দোকানের দোকানীরা অন্যদিনের মতো এদিন সকালেও তাদের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন। এদিন, ইন্সপেক্টর সহ ৪০ জনের আরপিএফ বাহিনী, ছয় জন মহিলা আরপিএফ দুটি জেসিবি মেশিন দিয়ে বাজারকে একটার পর একটা দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেন।উল্লেখ্য, এর আগে এতদিন শুধুমাত্র জেসিবি মেশিন দিয়েই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছিল। কিন্তু এদিন ২২ জনের এক ঠিকা কর্মীর দলকে এই কাজে লাগানো হয়েছে। কারণ আমলাদহি বাজারের অলিগলিতে জেসিবি মেশিন ঢুকবে না। সেই কারণে ঐ সব জায়গায় থাকা অনুমতিহীন দোকানগুলিকে হাতুড়ি, শাবল ইত্যাদি দিয়ে ভাঙার জন্য ঠিকা কর্মীর দলটিকে লাগানো হয়েছিলো।চোখের সামনে দীর্ঘদিনের ব্যবসা ও রুটি রোজগারের জায়গা ভেঙে পড়তে দেখে অনেকেরই মাথায় হাত দিয়ে বসেছিলেন। ছিলো চোখে জলও। কিন্তু সেই চোখের জলের কোন মূল্য নেই রেলের কাছে। রেলের তরফে বলা হয়েছে, কোথাও কোন বেআইনি দখল ও নির্মাণ রাখা হবেনা। তাই এই অভিযান। Post navigation আসানসোলে তৃনমুল কংগ্রেসের উদ্যোগে ৩০০ জনকে কম্বল বিতরণ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার বন্ধ ও ইসকনের সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবি / আসানসোলে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণের বিক্ষোভ মিছিল