চাকরির দাবিতে কারখানার গেটের সামনে মৃত দেহ রেখে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

মনোজ শর্মা /জামুরিয়া গত ১৩ আগষ্ট জামুড়িয়া সেখ পুরের বাসিন্দা শিবু টুডু নামে এক শ্রমিক জামুড়িয়া ইকড়া শিল্পাতালুকের কেলেস্টার স্পঞ্জ লিমিটেড কারখানায় কাজ করার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে তড়িঘড়ি আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৮ বিকেলে মারা যায়। এর পরেই পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা গতকাল রাত ৯ টা থেকে মৃতদেহ কারখানার গেটের সামনে রেখে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখায়। প্রায় ১২ ঘন্টার মৃতদেহ রাখার পরেও কারখানা কর্তৃপক্ষ পরিবারের সাথে কোনো কথা বলেনি। এর আগেও ২০২০ সালে কারখানায় কাজ করার সময় আহত হয়ে মারা যায় এক শ্রমিক। তার পরিবারের সদস্যদের কেউ এখন পর্যন্ত কাজে নিয়োগ করা হয় নি। তাদের দাবি অবিলম্বে এই দুই পরিবারের সদস্যদের চাকরিতে নিয়োগ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর উদ্যোগে আনন্দপুর গ্রামে আজ দুপুর ২টো থেকে খেলার মাঠের উপর থেকে বিদ্যুতের খুঁটি ও বিদ্যুতের তার সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হলো।

সুজিৎ ভট্টাচার্য কাঁকসা :-রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর উদ্যোগে আনন্দপুর গ্রামে আজ দুপুর ২টো থেকে খেলার মাঠের উপর থেকে বিদ্যুতের খুঁটি ও বিদ্যুতের তার সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হলো।
রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর উদ্যোগে খেলার মাঠ ফিরে পেল আনন্দপুরের বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে কাঁকসার আনন্দপুর গ্রামে একটি খেলার মাঠ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। গ্রামের কচিকাঁচারা সেই মাঠেই সকাল বিকেল খেলাধুলো করতো। ওই খেলার মাঠের উপর দিয়ে হাই টেনশন বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়ার ফলে আতঙ্কের কারণে সেই খেলার মাঠে তেমনভাবে কেউ আর যেত না। ফলে গ্রামের কিশোর কিশোরী ও খেলোয়াড়দের সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল। এই বিষয়ে গ্রামের মানুষ রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের কাছে তাদের সমস্যার কথা জানায়। যাতে দ্রুত ওই খেলার মাঠের উপর দিয়ে নিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার সরিয়ে নেওয়া যায় তার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন।। গ্রামবাসীদের আবেদন শুনে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে এই বিষয়ে অনুরোধ করলে মন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নির্দেশে বিদ্যুৎ দপ্তর এবং চীফ ইঞ্জিনিয়ার পার্থসারথির উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম শেষমেষ মাঠের উপর থেকে হাই টেনশন বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তর করার কাজ শুরু করে।গ্রামবাসীদের আবেদনে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গ্রামের মানুষ।

অভিষেক ব্যানার্জী ও সিবিআইকে একযোগে আক্রমণ মিনাক্ষীর

আলোক চক্রবর্তী আসানসোল:- আর জি কর কান্ডে যুক্ত দোষীদের দ্রুততার সাথে বিচারের সাথে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এবং শ্রমজীবী নারীদের সুরক্ষার দাবিতে বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমান জেলা সিটু সংঘটন, ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন, কৃষকসভা, ব্যাংক এবং ১২ ই জুলাই কমিটির ডাকে বিএনআর মোড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে ডিওয়াই এফ আইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মিনাক্ষী মুখার্জি অভিষেক ব্যানার্জীকে কটাক্ষ করে বলেন তিনি ডাক্তারি কবে পাশ করেছেন আরজি করের ধর্ষণ কান্ডে ডাক্তার পরীক্ষা করে এসে জানিয়েছিলেন একাধিক ব্যাক্তি ধর্ষণ এবং একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে অথচ তিনি বলছেন সেরকম কিছু হয় নি অথচ ঘটনার পর বাথরুম, থেকে শুরু করে সব ভেঙে দেওয়া হলো তিনি না ডাক্তার না তো পুলিশ মন্ত্রী না তো পূর্ত দপ্তরের মন্ত্রী তাহলে তিনি কোন অধিকারে মন্তব্য করছেন কাকে আড়াল করতে চাইছেন অন্যদিকে সিবিআইয়ের বিগত ইতিহাস ভালো নয় আজ পর্যন্ত কোন মামলার মিমাংসা করতে পারেন নি। ডিওয়াই এফ আইয়ের সিবিআইয়ের কার্যকলাপের উপর নজর আছে, মহিলা চিকিৎসকের মৃতদেহ আটকানো থেকে শুরু করে আন্দোলন গড়ে তোলার পেছনে ডিওয়াই এফ আই এবং এস এফ আই রয়েছে আর এই রাজ্যে আন্দোলন করার জন্য অনুমতির দরকার পড়ে না। তিনি সিবিআইয়ের কাছে আবেদন করেন দ্রুততার সাথে মামলার মিমাংসা করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।