0Shares

পাবলিক নিউজঃ আসানসোল:- সাতসকালে বৃদ্ধার গলা থেকে সোনার চেন ছিনতাইয়ের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় সাফল্য পেল কুলটি থানার পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হিরাপুর থানা এলাকার বাসিন্দা দয়াময় সিনহা ও বাবলু দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ২০ আগস্ট তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের পরে দুজনকে আসানসোল আদালতে পেশ করে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশ হেফাজতে নিয়ে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছিনতাই হওয়া সোনার হারের হদিস পায়। তদন্তে উঠে আসে, ছিনতাই হওয়া সোনার হারটি দয়াময় সিনহার বাড়িতে রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালিয়ে সেটি উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সকাল আনুমানিক ১০টা নাগাদ কুলটি থানার বিরাজপল্লী (সন্ন্যাসী স্থান ) এলাকায় নাতনিকে স্কুলের গাড়িতে তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ৭২ বছর বয়সি মঞ্জু মিত্র। সেই সময় তার গলা থেকে আনুমানিক ১০ গ্রাম ওজনের সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে নীল শার্ট পরা এক দুষ্কৃতি আচমকাই পালিয়ে যায়। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
ঘটনার পর মঞ্জু মিত্র কুলটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পাশাপাশি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে আসে। সেই ফুটেজ ও অন্যান্য সূত্রের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। শেষ পর্যন্ত দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাই হওয়া সোনার হার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তদন্তে দয়াময় সিনহাকেই এই ছিনতাই কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
জনবহুল এলাকায় দিনের আলোয় বৃদ্ধার গলা থেকে সোনার চেন ছিনতাইয়ের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। দুই অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও চুরি যাওয়া গয়না উদ্ধারের ঘটনায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তদন্তে আরো আরো তথ্য সামনে আনতে পারে বলে পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *